মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরুণ প্রজন্মের মাঝে নৈতিকতা, শিক্ষা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবার চেতনা জাগিয়ে তুলতে।
বর্তমান প্রজন্ম প্রযুক্তি ও প্রতিযোগিতায় দ্রুত অগ্রসর হলেও, নৈতিক শিক্ষা ও মানবিক চিন্তায় পিছিয়ে পড়ছে।
এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি লি.-এর সামাজিক উন্নয়ন শাখার উদ্যোগে
২০২৫ সালে “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো— শিক্ষার্থী সমাজকে শিক্ষা, চরিত্র, নেতৃত্ব ও মানবিকতায় সমৃদ্ধ করে ভালো সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা। এই ক্লাব কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং এটি একটি সামাজিক আন্দোলন।
এর মূলমন্ত্র—
“ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না — Good Decision Never Loss.”
নাম: মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব (Marium Students Club)
অর্থ: “মরিয়ম” শব্দটি পবিত্রতা, মানবিকতা ও নৈতিকতার প্রতীক। “Students Club” অর্থ— শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও নেতৃত্ব গঠনের কেন্দ্র। দুইটি শব্দ একত্রে বোঝায় এমন একটি শিক্ষার্থী পরিবার, যারা নৈতিকতা, দায়িত্ব ও সমাজসেবায় আদর্শ স্থাপন করবে। অর্থাৎ, “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” মানে এমন একটি সংগঠন, যেখানে ভালো সিদ্ধান্তই সুন্দর ভবিষ্যতের চাবিকাঠি।
দর্শন:
“ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না (Good Decision Never Loss)” — এই দর্শনই ক্লাবের আত্মা। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে শেখানো হবে যে, সঠিক চিন্তা, নৈতিক সিদ্ধান্ত ও সৎ আচরণই জীবনের প্রকৃত সাফল্য।
মূল্যবোধ:
১. শিক্ষা — শেখার আনন্দ ও জ্ঞানের প্রসার।
২. চরিত্র — সততা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ।
৩. নেতৃত্ব — আত্মবিশ্বাস, দলগত কাজ ও নেতৃত্ব গঠন।
৪. সমাজসেবা — মানবিকতা ও সহমর্মিতার চর্চা।
৫. নৈতিকতা — সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অভ্যাস।
মিশন:
বাংলাদেশের প্রতিটি শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের চর্চা ছড়িয়ে দিয়ে একটি সচেতন, দায়িত্বশীল ও নৈতিক প্রজন্ম তৈরি করা, যারা নিজেরা ভালো সিদ্ধান্ত নেবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
ভিশন:
২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চলে “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এর শাখা স্থাপন করা, যাতে ১০,০০০ শিক্ষার্থী নৈতিক শিক্ষা, সমাজসেবা ও নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে “ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ” দর্শনের বাস্তব রূপ ধারণ করে।
ট্যাগলাইন:
“ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ।” এই ট্যাগলাইনের অর্থ হলো—যে শিক্ষার্থী সঠিক চিন্তা ও ভালো সিদ্ধান্ত নিতে শেখে,তার ভবিষ্যৎ কখনও অন্ধকার হয় না।
প্রতীকের অর্থ:
খোলা বই: জ্ঞানের আলো ও শেখার প্রতীক।
উদীয়মান সূর্য: নতুন প্রজন্মের আশা ও আলোকিত ভবিষ্যৎ।
সবুজ পাতা: জীবনের বিকাশ, সততা ও মানবিকতার প্রতীক।
তিনটি শিশু: তিন স্তরের শিক্ষার্থী — জুনিয়র, মিডল ও ইয়ুথ।
রঙের প্রতীকী অর্থ:
সবুজ: আশাবাদ ও উন্নয়ন।
নীল: জ্ঞান ও বিশ্বাস।
কমলা: উদ্যম, ভালোবাসা ও নেতৃত্ব।
নাম: মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব
প্রতিষ্ঠা: ২০২৫, চট্টগ্রাম
উদ্দেশ্য: শিক্ষা, নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবা
দর্শন: Good Decision Never Loss
ট্যাগলাইন: ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ
পরিচালনা: মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি লি.
প্রতীক: বই, সূর্য, পাতা ও তিন শিশুর চিত্র
রঙ: সবুজ, নীল ও কমলা
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব বিশ্বাস করে, প্রতিটি শিশুই জন্মগতভাবে সম্ভাবনাময়। তাদের এই সম্ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে প্রয়োজন সঠিক শিক্ষা, চরিত্রের দৃঢ়তা, নেতৃত্বের মানসিকতা ও সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা। আমরা সেই পথ তৈরি করতে কাজ করছি —যেখানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের জীবনেই নয়, বরং সমাজেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।
শিক্ষার্থীদের মাঝে পড়াশোনার আগ্রহ, মনোযোগ ও ধারাবাহিকতা বৃদ্ধি করা।
সঠিক শিক্ষা পদ্ধতি, নৈতিক চিন্তা ও বাস্তব জীবনের শিখন অভ্যাস গড়ে তোলা।
চরিত্র গঠনে গুরুত্ব দেওয়া — সততা, শৃঙ্খলা, সময়নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ শেখানো।
একাডেমিক শিক্ষা ছাড়াও জীবনদক্ষতা, যোগাযোগ ও আচরণগত উন্নয়ন প্রশিক্ষণ দেওয়া।
আমাদের বিশ্বাস:
“ভালো চরিত্র ছাড়া কোনো শিক্ষা পূর্ণ হয় না।”
শিক্ষার্থীদের মধ্যে দলগত কাজ, নেতৃত্ব, দায়িত্ব ভাগাভাগি ও উদ্যোগ গ্রহণের চর্চা তৈরি করা।
ছোটবেলা থেকেই সমাজসেবার প্রতি ভালোবাসা জাগিয়ে তোলা (যেমন: বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা, সহায়তা কার্যক্রম)।
স্কুল ও এলাকার শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার নেটওয়ার্ক তৈরি করা।
“Good Decision Leadership Camp” আয়োজনের মাধ্যমে নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ দেওয়া।
মূল লক্ষ্য:
“প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজেকে নেতা হিসেবে গড়ে তুলবে, অন্যকে সেবা করতে শিখবে।”
ইসলামী ও মানবিক মূল্যবোধের আলোয় জীবনের পথচলা শেখানো।
“Good Decision Session”–এর মাধ্যমে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুশীলন করানো।
সহানুভূতি, দয়া, সততা, পরোপকার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ বাড়ানো।
শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সামাজিক ঐক্যের পরিবেশ তৈরি করা।
আমাদের বিশ্বাস:
“মানবিকতা শেখা মানেই আলোকিত হওয়া।”
শিশু থেকে তরুণ পর্যন্ত সকল বয়সে দায়িত্বশীল আচরণ শেখানো।।
পরিবার, সমাজ ও দেশের প্রতি কর্তব্যবোধ তৈরি করা।
পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজের কাজে যুক্ত থাকা ও সচেতন নাগরিক হিসেবে বেড়ে ওঠা।
“Marium Students Club”–এর মাধ্যমে এমন প্রজন্ম তৈরি করা, যারা নৈতিক, শিক্ষিত ও সেবাপ্রবণ।
ফলাফল:
“একটি ক্লাব থেকে গড়ে উঠবে একটি নৈতিক বাংলাদেশ।”
শিক্ষার্থীদের শেখানো হবে কিভাবে জীবনের ছোট সিদ্ধান্তগুলো ভবিষ্যতের বড় পরিবর্তন আনে।।
নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আলোচনা ও প্রোগ্রামের মাধ্যমে দর্শনটিকে জীবনের অংশ করা।
প্রতিটি শিক্ষার্থী তার দৈনন্দিন জীবনে “ভালো সিদ্ধান্ত” নেওয়ার চর্চা করবে।
এই দর্শনই হবে মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের শিক্ষা, আচরণ ও সমাজসেবার মূল চালিকা শক্তি।
দর্শনের মূল কথা:
“ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না — কারণ তা হয় জয়ের পথ, নয় শেখার অভিজ্ঞতা।”

মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের কেন্দ্রীয় কমিটি হবে সংগঠনের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও তত্ত্বাবধানকারী সংস্থা। এই কমিটি দেশের সব ইউনিট ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা, সমন্বয় ও প্রশিক্ষণের দায়িত্বে থাকবে।
১. সভাপতি
২. সহ-সভাপতি
৩. সাধারণ সম্পাদক
৪. যুগ্ম সম্পাদক
৫. শিক্ষা সম্পাদক
৬. সমাজসেবা সম্পাদক
৭. প্রচার সম্পাদক
৮. কোষাধ্যক্ষ
৯. সদস্যবৃন্দ (সর্বোচ্চ ১৫ জন)
কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান হিসেবে ক্লাবের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
নীতিনির্ধারণ, দিকনির্দেশনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।
অন্যান্য সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করবেন।
সব ইউনিট কার্যক্রম তত্ত্বাবধান করবেন।
সভাপতির অনুপস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করবেন।
বিশেষ কার্যক্রম ও প্রকল্পের নেতৃত্ব দেবেন।
ইউনিট পর্যায়ের নেতৃত্ব বিকাশে সহায়তা করবেন।
সংগঠনের দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করবেন।
সভা আয়োজন, চিঠিপত্র সংরক্ষণ ও কমিটি সমন্বয় করবেন।
সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
সাধারণ সম্পাদককে সহায়তা করবেন এবং প্রয়োজনে তার দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রশিক্ষণ, সভা ও কার্যক্রম পরিকল্পনায় অংশগ্রহণ করবেন।
শিক্ষা সহায়তা, পাঠচক্র ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করবেন।
“Good Decision Class”, “Study Circle” ও পরীক্ষার সহায়তা আয়োজন করবেন।
শিক্ষা বিষয়ক কনটেন্ট, বই ও কোর্স সামগ্রী প্রস্তুত করবেন।
সমাজসেবামূলক কার্যক্রম যেমন বৃক্ষরোপণ, রক্তদান, অনাথ সহায়তা আয়োজন করবেন।
স্থানীয় সমস্যার সমাধানে ক্লাব সদস্যদের যুক্ত করবেন।
ক্লাবের প্রচারণা, সোশ্যাল মিডিয়া ও পাবলিক রিলেশন কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
ব্যানার, পোস্টার, নিউজলেটার ও অনলাইন প্রচারণা তত্ত্বাবধান করবেন।
সদস্য সংগ্রহ ও জনসংযোগ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবেন।
আর্থিক হিসাব, সুবাস ও অনুদান সংরক্ষণ করবেন।
মাসিক ও বার্ষিক হিসাব রিপোর্ট তৈরি করবেন।
“Marium Students Fund” পরিচালনা করবেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করবেন।
নির্দিষ্ট শাখা বা দায়িত্ব অনুযায়ী কাজ পরিচালনা করবেন।
সভায় উপস্থিত থেকে প্রস্তাব ও মতামত প্রদান করবেন।
ইউনিট কমিটি হলো প্রতিটি স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ বা এলাকার কার্যক্রম পরিচালনার মূল সংগঠন। এই কমিটি সরাসরি শিক্ষার্থীদের নিয়ে কাজ করবে এবং কেন্দ্রীয় কমিটির তত্ত্বাবধানে চলবে।
১. সভাপতি
২. সম্পাদক
৩. শিক্ষা দায়িত্বশীল
৪. সমাজসেবা দায়িত্বশীল
৫. স্বাস্থ্য সচেতনতা দায়িত্বশীল
৬. প্রচার দায়িত্বশীল
৭. কোষাধ্যক্ষ
ইউনিটের নেতৃত্ব প্রদান করবেন এবং মাসিক সভা পরিচালনা করবেন।
কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করবেন।
সদস্য সংগ্রহ ও কার্যক্রম পরিকল্পনায় প্রধান ভূমিকা পালন করবেন।
ইউনিটের সভার কার্যবিবরণী ও যোগাযোগ রক্ষা করবেন।
কার্যক্রমের রিপোর্ট তৈরি করে কেন্দ্রীয় অফিসে পাঠাবেন।
সদস্য রেজিস্ট্রেশন ও উপস্থিতি তত্ত্বাবধান করবেন।
ইউনিট পর্যায়ে শিক্ষা সহায়তা ক্লাস পরিচালনা করবেন।
ভালো ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মনোনয়ন দেবেন।
“Good Decision Class” আয়োজন করবেন।
স্থানীয় সমাজসেবা ও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।
শিক্ষার্থীদের সমাজে সেবামূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত করবেন।
স্বাস্থ্য সচেতনতা সভা, হাইজিন কর্মশালা ও মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করবেন।
শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিধি শেখাবেন।
ক্লাবের ইউনিট পর্যায়ের প্রচারণা, পোস্টার, ব্যানার, প্রচারাভিযান তত্ত্বাবধান করবেন।
নতুন সদস্য সংগ্রহ ও স্থানীয় শিক্ষকদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখবেন।
সদস্যদের মাসিক সুবাস ও অনুদান সংগ্রহ করবেন।
ইউনিটের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণ করবেন।
মাসিক রিপোর্ট কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষের কাছে জমা দেবেন।
প্রতিটি কমিটির মেয়াদ হবে ১ বছর।
মেয়াদ শেষে বার্ষিক সভায় সদস্যদের ভোট বা মনোনয়নের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন হবে।
প্রতিটি কমিটিতে শিক্ষার্থীদের বয়স ও দক্ষতা বিবেচনায় দায়িত্ব বণ্টন করা হবে।
কেন্দ্রীয় কমিটি প্রতি ৩ মাসে একবার সব ইউনিটের রিপোর্ট গ্রহণ করবে।
“Zone Coordinator”–রা স্থানীয় কমিটিকে সহযোগিতা করবে।
বার্ষিক সাধারণ সভায় (AGM) ক্লাবের অগ্রগতি ও লক্ষ্য পর্যালোচনা হবে।
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব-এর সদস্যরা তিনটি বয়সভিত্তিক শাখায় বিভক্ত থাকবে —জুনিয়র, টিন এবং ইয়ুথ শাখা। প্রতিটি শাখার শিক্ষার্থীদের বয়স, দায়িত্ব, শিক্ষার স্তর ও কার্যক্রম ভিন্নভাবে নির্ধারিত হবে। এই বিভাজনের মাধ্যমে প্রত্যেক বয়সের শিক্ষার্থী তাদের মানসিক, শিক্ষাগত ও নৈতিক বিকাশের উপযোগী প্রশিক্ষণ ও সুযোগ পাবে।
এই শাখায় ৫ থেকে ১০ বছর বয়সী প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা যুক্ত থাকবে। এদের প্রধান কাজ হবে শেখার আনন্দ উপভোগ করা, নৈতিক গল্প ও ইসলামী আদব শেখা, প্রাথমিক নেতৃত্ব ও দলবদ্ধ আচরণ গড়ে তোলা। তাদের জন্য নিয়মিত আয়োজন করা হবে— নৈতিক শিক্ষা ক্লাস, শিশুদের গল্পের আসর, ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা। এই শাখার শিক্ষার্থীদের মাসিক সদস্য সুবাস নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ টাকা, যা তারা বা তাদের অভিভাবক সরাসরি ইউনিট অফিসে জমা দেবে।
মূল উদ্দেশ্য হলো:
“শিশুদের ছোটবেলা থেকেই সঠিক চিন্তা, সঠিক সিদ্ধান্ত ও ভালো অভ্যাসে গড়ে তোলা।”
এই শাখায় ১১ থেকে ১৪ বছর বয়সী মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা থাকবে। এরা ইতিমধ্যে স্কুলজীবনের মূল পর্বে প্রবেশ করছে, তাই তাদের শেখানো হবে—নেতৃত্ব, দায়িত্ববোধ, সময় ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা মনোযোগ এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা। টিন শাখার সদস্যরা নিয়মিতভাবে “Good Decision Class”, পাঠচক্র, শিক্ষা সহায়তা প্রোগ্রাম এবং সমাজসেবামূলক কার্যক্রমে অংশ নেবে। তাদের মাসিক সদস্য সুবাস নির্ধারণ করা হয়েছে ৩০ টাকা, যা ইউনিট অফিস বা বিকাশের মাধ্যমে জমা দেওয়া যাবে।
এই শাখার মূল লক্ষ্য:
“কৈশোর থেকেই চিন্তা, সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের চর্চা শেখা।”
এই শাখায় ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা থাকবে। তারা হবে ক্লাবের ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের মূল ভিত্তি। ইয়ুথ সদস্যরা বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ, সামাজিক কার্যক্রম সংগঠিত করা এবং নতুন সদস্য গঠনে দায়িত্ব পালন করবে। তাদের শেখানো হবে—কিভাবে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা যায়, কীভাবে “Good Decision Never Loss” দর্শন বাস্তবে প্রয়োগ করতে হয়, এবং কিভাবে একজন দায়িত্ববান তরুণ নাগরিক হিসেবে বেড়ে ওঠা যায়। এই শাখার মাসিক সদস্য সুবাস নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ টাকা। ইয়ুথ শাখার সদস্যরা চাইলে ক্লাবের অভ্যন্তরীণ “Student Leadership Council”–এ নির্বাচিত হতে পারবে, যেখানে তারা কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় কমিটিতে নেতৃত্ব দিতে পারবে।
তাদের জন্য আয়োজন করা হবে —
Leadership Camp
Debate & Presentation Workshop
Community Service Program
Annual “Good Decision Camp”
যে শাখারই সদস্য হোক না কেন, প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে নিচের নীতিমালা মেনে চলতে হবে
১. নিয়মিত ক্লাবের সভা ও কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা।
২. শিক্ষা, চরিত্র, স্বাস্থ্য ও নৈতিকতায় উৎকর্ষ অর্জনের চেষ্টা করা।
৩. সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল মনোভাব রাখা।
৪. “ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না” এই বিশ্বাসে চলা।
৫. কোনো রাজনৈতিক বা বিভেদমূলক কার্যক্রমে অংশ না নেওয়া।
জুনিয়র শাখা: ৫–১০ বছর, প্রাথমিক পর্যায়, সুবাস ২০ টাকা।
টিন শাখা: ১১–১৪ বছর, মাধ্যমিক পর্যায়, সুবাস ৩০ টাকা।
ইয়ুথ শাখা: ১৫–১৮ বছর, কলেজ পর্যায়, সুবাস ৫০ টাকা।
মূল লক্ষ্য:
“প্রতিটি শিক্ষার্থী যেন তার বয়স অনুযায়ী শেখে, বেড়ে ওঠে, দায়িত্ব নিতে শেখে —
এবং ‘ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ’ দর্শনে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজে আলো ছড়ায়।”

মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব -এর সদস্য হতে হলে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে একটি নির্দিষ্ট ভর্তি ও নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এই প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য হলো শিক্ষার্থীর পরিচয় যাচাই করা, বয়স অনুযায়ী সঠিক শাখায় অন্তর্ভুক্ত করা, এবং অভিভাবককে সম্পূর্ণভাবে অংশীদার হিসেবে যুক্ত করা। ভর্তি প্রক্রিয়া অনলাইন ও অফলাইন — উভয় পদ্ধতিতে করা যাবে, যাতে শহর ও গ্রাম উভয় পর্যায়ের শিক্ষার্থী সহজে যুক্ত হতে পারে।
প্রথম ধাপে শিক্ষার্থীকে একটি নির্ধারিত ভর্তি ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই ফর্ম অনলাইন বা অফলাইন — দুইভাবেই পাওয়া যাবে।
ফর্মে যেসব তথ্য থাকবে:
শিক্ষার্থীর পূর্ণ নাম
বয়স ও জন্ম তারিখ
শ্রেণি / শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নাম
মোবাইল নম্বর (অভিভাবকসহ)
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা
পছন্দের শাখা (জুনিয়র, টিন, বা ইয়ুথ)
রক্তের গ্রুপ
বিশেষ দক্ষতা বা আগ্রহ
শিক্ষার্থীর স্বাক্ষর
ফর্ম প্রাপ্তি:
অফলাইন: প্রতিটি ইউনিট অফিস বা স্কুল ক্যাম্পেইন থেকে সংগ্রহযোগ্য।
প্রত্যেক শিক্ষার্থীর ভর্তি সম্পন্ন করার আগে তার অভিভাবকের লিখিত অনুমতি আবশ্যক।
অভিভাবকের ভূমিকা:
সন্তান ক্লাবের শিক্ষা, নৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে— এ সম্মতি প্রদান।
প্রয়োজনীয় যোগাযোগের জন্য ফোন ও স্বাক্ষর প্রদান।
সন্তানের নিয়মিত অংশগ্রহণ তত্ত্বাবধানের প্রতিশ্রুতি দেওয়া।
উদ্দেশ্য: অভিভাবক যেন জানেন, তাদের সন্তান একটি নৈতিক ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের অংশ হচ্ছে।
ভর্তি ফর্ম যাচাই শেষে শিক্ষার্থীর বয়স অনুযায়ী তার শাখা নির্ধারণ করা হবে—
৫–১০ বছর: জুনিয়র শাখা
১১–১৪ বছর: টিন শাখা
১৫–১৮ বছর: ইয়ুথ শাখা
প্রতিটি শাখার জন্য আলাদা পরিচিতিমূলক সভা, প্রশিক্ষণ ও দায়িত্ব থাকবে। এই শাখাভিত্তিক কাঠামো শিক্ষার্থীর মানসিক বিকাশ ও শিক্ষার স্তরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি।
ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর শিক্ষার্থীকে প্রথম মাসের সুবাস ও একটি ছোট ভর্তি ফি জমা দিতে হবে।
ভর্তি ফি: মাত্র ২০ টাকা (এককালীন)
প্রথম মাসের সুবাস:
জুনিয়র শাখা: ২০ টাকা
টিন শাখা: ৩০ টাকা
ইয়ুথ শাখা: ৫০ টাকা
সুবাস জমার পদ্ধতি:
১. সরাসরি ইউনিট অফিসে নগদ জমা
২. বিকাশ / নগদ / ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার
৩. অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে (ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা)
রসিদ প্রদান:
প্রত্যেক সদস্য সুবাস জমার পর একটি অফিসিয়াল রসিদ বা SMS কনফার্মেশন পাবে।
ভর্তি সম্পন্ন হলে শিক্ষার্থীকে একটি Marium Students Club ID Card প্রদান করা হবে।
এই কার্ডে থাকবে:
শিক্ষার্থীর নাম ও ছবি
মেম্বারশিপ রেজিস্ট্রেশন নম্বর
বয়সভিত্তিক শাখা নাম
ইউনিট ও কেন্দ্রীয় অফিসের নাম
“ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ” ট্যাগলাইন
এছাড়া প্রতিটি সদস্যের জন্য একটি ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন নম্বর (MSC-ID) সংরক্ষণ করা হবে,
যা ভবিষ্যতে শিক্ষা সহায়তা, বৃত্তি প্রোগ্রাম বা ট্রেনিংয়ে ব্যবহৃত হবে।
১. ইউনিট কমিটি ভর্তি ফর্ম যাচাই করবে।
২. প্রয়োজনীয় তথ্য নিশ্চিত করে কেন্দ্রীয় অফিসে তালিকা পাঠাবে।
৩. কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদনের পর সদস্য রেজিস্টার আপডেট করবে।
৪. ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষার্থী ক্লাব কার্যক্রমে অংশ নিতে পারবে।
ভর্তি সম্পন্ন হওয়ার পর প্রতিটি নতুন সদস্যকে একটি “Welcome Orientation Session”-এ অংশ নিতে হবে। এখানে তাদের ক্লাবের লক্ষ্য, দর্শন, নিয়ম এবং সদস্য হিসেবে করণীয় শেখানো হবে।
ক্লাবের উদ্দেশ্য ও ইতিহাস
সদস্যের দায়িত্ব ও আচরণবিধি
সুবাস ও উপস্থিতি নিয়ম
“Good Decision Never Loss” দর্শনের প্রয়োগ
এই সেশনের শেষে প্রত্যেক সদস্য শপথ পাঠ করবে:
“আমি ভালো সিদ্ধান্ত নেব, শিক্ষায় ও চরিত্রে আদর্শ হব,
সমাজে সেবা করব এবং মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের নিয়ম মেনে চলব।”

ভূমিকা:
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব –এর শক্তি তার সদস্যদের মধ্যেই নিহিত। এই সংগঠনের লক্ষ্য শুধু শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা নয়, বরং তাদের মধ্যে একটি সচেতন ও নৈতিক চেতনা গড়ে তোলা —যেখানে প্রত্যেকে হবে “ভালো সিদ্ধান্তের” দূত। সদস্য সংগ্রহ প্রক্রিয়াটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে শহর, মফস্বল ও গ্রামীণ পর্যায় — তিন স্তরেই সহজে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করা যায়।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভিত্তি করে ছাত্রছাত্রীদের সংগঠনের সঙ্গে পরিচিত করা।
প্রতিটি স্কুল, মাদ্রাসা বা কলেজে “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব পরিচিতি সভা” আয়োজন করা।
ক্লাবের মূল উদ্দেশ্য, নৈতিক মূল্যবোধ ও কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের জানানো।
শিক্ষক ও কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় সদস্য ভর্তি ফর্ম বিতরণ।
স্কুলে “Good Decision Session” বা “Mini Motivation Class” আয়োজন করে আগ্রহ তৈরি করা।
শিক্ষক বা প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে পরিচয় পেলে শিক্ষার্থীদের বিশ্বাস ও অংশগ্রহণ অনেক বেড়ে যায়।
প্রত্যেক সদস্য হবে ক্লাবের এক একজন “Good Decision Ambassador।” একজন সদস্য তার ২–৩ জন বন্ধুকে ক্লাবে নিয়ে এলে, তাকে দেওয়া হবে “Friendship Badge” বা “Member Star।”
প্রতিটি ইউনিটে মাসিক “নতুন বন্ধু সংগ্রহ চ্যালেঞ্জ” চালু করা।
নতুন সদস্য আনলে পুরনো সদস্যকে প্রশংসাপত্র বা ছোট পুরস্কার দেওয়া।
“Bring a Friend Day” নামে বিশেষ ভর্তি দিবস আয়োজন করা।
অল্প সময়ে স্বাভাবিক সম্পর্কের মাধ্যমেই ক্লাবের সদস্য সংখ্যা দ্রুত বাড়বে।
সমাজে সেবামূলক ও ইতিবাচক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করা।
বৃক্ষরোপণ দিবস: “এক সদস্য, এক গাছ” কর্মসূচি।
স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প: স্কুলে স্বাস্থ্য সেমিনার বা ফ্রি মেডিকেল চেকআপ।
পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা অভিযান: নিজের স্কুল বা এলাকার উদ্যোগে ক্লিন ক্যাম্পেইন।
শিক্ষা সহায়তা প্রোগ্রাম: দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বই বা উপকরণ সহায়তা।
উদ্দেশ্য:
যেন মানুষ নিজের চোখে দেখে — এই ক্লাব শুধু নামের নয়, কাজের সংগঠন।
যুব প্রজন্মকে অনলাইনের মাধ্যমে যুক্ত করা হবে। এতে প্রযুক্তিনির্ভর ও শহরমুখী শিক্ষার্থীদের যুক্ত করা সহজ হবে।
অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে “Join Now” পেজ চালু করা।
Google Form বা QR কোডের মাধ্যমে অনলাইন ভর্তি ফর্ম চালু করা।
ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম পেজে “ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ” প্রচারণা চালানো।
ভিডিও বা গ্রাফিক্স ব্যবহার করে অনুপ্রেরণামূলক বার্তা প্রকাশ করা।
“ভালো সিদ্ধান্তের পথে যোগ দিন আজই —
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের একজন সদস্য হোন।”
শিক্ষকগণ ক্লাবের নৈতিক ও শিক্ষা কার্যক্রমের সবচেয়ে বড় সহযোগী।
প্রতিটি স্কুল বা মাদ্রাসায় একজন “শিক্ষক পরামর্শদাতা (Teacher Advisor)” নিযুক্ত করা।
তারা সদস্য নির্বাচন, নৈতিক শিক্ষা ক্লাস ও বৃত্তি প্রোগ্রামে পরামর্শ দেবেন।
শিক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা ও উপস্থিতি মনিটর করতে সহায়তা করবেন।
শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বছরে অন্তত একবার “Teacher Appreciation Day” পালন করা।
ফলাফল:
ক্লাব ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্থায়ী আস্থা ও সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
চট্টগ্রাম শহর ও আশেপাশে ১০টি ইউনিট গঠন।
মোট সদস্য সংখ্যা: ৩০০+
প্রতিটি থানা বা ওয়ার্ডে অন্তত ১টি ইউনিট ক্লাব স্থাপন।
মোট সদস্য সংখ্যা: ১,০০০+
জাতীয় পর্যায়ে “Good Decision Network” তৈরি।
মোট সদস্য সংখ্যা: ৫,০০০+
অনলাইন ইউনিট ও ভার্চুয়াল ক্লাব চালু।
১. Star Member Badge: যারা প্রতি মাসে নতুন সদস্য আনবে, তাদের বিশেষ ব্যাজ।
২. Certificate of Contribution: সফল ইউনিট ও সদস্যদের স্বীকৃতি।
৩. Good Decision Award: যারা নেতৃত্ব, চরিত্র ও সেবায় অনন্য অবদান রাখবে।
৪. Annual Honor Day: বছরে একবার শ্রেষ্ঠ সদস্য ও শিক্ষককে সম্মাননা।
ভূমিকা:
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও দায়িত্বের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি নৈতিক সংগঠন। সদস্যদের মাসিক সুবাস, শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান এবং বিশেষ প্রকল্প ফান্ড — এই তিনটি উৎস থেকেই ক্লাবের আর্থিক কাঠামো গঠিত হয়।
এই ফান্ড ব্যবহার করা হবে মূলত:
শিক্ষা সহায়তা
নৈতিক প্রশিক্ষণ
বৃত্তি প্রদান
স্বাস্থ্যসেবা ও সমাজসেবা কার্যক্রমে।
প্রতিটি সদস্যকে তার নির্ধারিত মাসিক সুবাস নিয়মিত পরিশোধ করতে হবে। এই সুবাস ক্লাবের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বৃত্তি ও সমাজসেবা কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে।
সুবাসের হার:
জুনিয়র শাখা (৫–১০ বছর): ২০ টাকা
টিন শাখা (১১–১৪ বছর): ৩০ টাকা
ইয়ুথ শাখা (১৫–১৮ বছর): ৫০ টাকা
প্রতি মাসের ১ তারিখ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে সুবাস জমা দিতে হবে।
ইউনিট কোষাধ্যক্ষের কাছে সরাসরি নগদ জমা।
বিকল্পভাবে অনলাইন (বিকাশ/নগদ) ট্রান্সফার।
প্রতিটি জমার জন্য রসিদ বা SMS কনফার্মেশন প্রদান করা হবে।
বিশেষ নীতি:
সদস্য টানা তিন মাস সুবাস না দিলে, তাকে “Inactive Member” তালিকায় রাখা হবে এবং পুনরায় সক্রিয় হতে প্রথমে বকেয়া পরিশোধ করতে হবে।
যারা ক্লাবের সদস্য নন, কিন্তু সমাজে নৈতিক ও শিক্ষামূলক উদ্যোগে সহায়তা করতে চান, তারা “Associate Member” হিসেবে যুক্ত হতে পারেন।
সুবাস হার:
মাসিক: ৫০ / ১০০ / ২০০ / ৩০০/ ৪০০/ ৫০০ টাকা (ইচ্ছেমতো)
বাৎসরিক: এককালীন ১,০০০ টাকা অনুদান
তারা চাইলে ক্লাবের বিশেষ ইভেন্ট, ট্রেনিং বা বৃত্তি প্রোগ্রামে অংশ নিতে পারবেন।
শিক্ষক, অভিভাবক, সমাজসেবক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ —যারা ক্লাবের কাজকে ভালোবাসেন ও সমর্থন করতে চান, তারা শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে অনুদান দিতে পারবেন।
অনুদানের ধরণ:
এককালীন (One Time Donation)
মাসিক বা বাৎসরিক প্রতিশ্রুত অনুদান
প্রকল্পভিত্তিক (যেমন বৃত্তি বা স্বাস্থ্য ক্যাম্পে সহায়তা)
সদস্য ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা সহজে টাকা জমা দিতে পারেন এমন চ্যানেল থাকবে:
ব্যাংক অ্যাকাউন্ট:
Bank Name: City Bank
Account Type: Savings A/C
Account Name: Sohidul Islam
Account Number: 2804486641001
Branch Name: Oxygen Moor Branch
Routing Number: 225155877
মোবাইল ব্যাংকিং (পার্সোনাল):
bKash / Nagad / Rocket: 01781-593032
অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হবে।
প্রতিটি লেনদেন ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে।
সহজে রিপোর্ট তৈরি ও অডিটে সহায়ক হবে।
প্রতিটি সুবাস বা অনুদান গ্রহণের পর ইউনিট অফিস থেকে সরকারি রসিদবুক অনুযায়ী রসিদ প্রদান বাধ্যতামূলক।
রসিদে থাকবে:
সদস্যের নাম ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর
পরিমাণ
তারিখ
গ্রহণকারীর স্বাক্ষর
ইউনিটের নাম ও সিল
ইউনিট কোষাধ্যক্ষ প্রতিমাসে একটি “সুবাস রেজিস্টার” হালনাগাদ করবেন।
মাস শেষে কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন।
প্রতিটি ইউনিটের হিসাব “Marium Cooperative ERP System”-এ সংরক্ষিত থাকবে।
নীতিমালা:
কোনো অর্থ গ্রহণ বা ব্যয় “ডকুমেন্ট ছাড়া” করা যাবে না। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা ক্লাবের আর্থিক ব্যবস্থাপনার মূল শর্ত।
প্রতিটি ইউনিট মাসের শেষে তাদের আয়–ব্যয়ের রিপোর্ট কেন্দ্রীয় অফিসে জমা দেবে।
কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ সব ইউনিটের রিপোর্ট যাচাই করে সমন্বিত আর্থিক বিবরণী প্রস্তুত করবেন।
এই রিপোর্ট অভিভাবক পরিষদ ও নির্বাহী কমিটির সভায় উপস্থাপন করা হবে।
প্রতি বছর একবার ক্লাবের সব আর্থিক লেনদেন “Marium Cooperative Society Audit Team” দ্বারা নিরীক্ষা করা হবে।
অডিট রিপোর্ট সংরক্ষণ করে পরবর্তী বাজেট পরিকল্পনায় ব্যবহার করা হবে।
উদ্দেশ্য:
“প্রতিটি টাকার হিসাব থাকবে — কোথায় থেকে এসেছে, কোথায় ব্যয় হয়েছে।”
১️.শিক্ষা সহায়তা ও বৃত্তি প্রদান
২️.স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা কার্যক্রম
৩️.নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্প আয়োজন
৪️.প্রশাসনিক ব্যয় (সর্বোচ্চ ২০% সীমা)
প্রতিটি সদস্য ফান্ডের ব্যবহার জানতে পারবে।
অনলাইন প্ল্যাটফর্মে মাসিক রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।
কোনো অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
সঠিক ব্যবহারের নিশ্চয়তা দিতে কেন্দ্রীয় “Finance Monitoring Team” থাকবে।
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব বিশ্বাস করে —অর্থ নয়, বিশ্বাসই সংগঠনের মূল পুঁজি। তাই প্রতিটি টাকা নৈতিকতা, শিক্ষা ও সমাজকল্যাণে ব্যয় হবে, যাতে প্রতিটি দাতা ও সদস্য জানেন —“তাদের অবদানই তৈরি করছে আগামী প্রজন্মের সুন্দর ভবিষ্যৎ।”

“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” বিশ্বাস করে —শিক্ষার্থীর বিকাশ শুধু ক্লাব বা স্কুলের দায়িত্ব নয়; তার সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখেন অভিভাবকগণ। তাই এই সংগঠনে অভিভাবকরা শুধুমাত্র দর্শক নন, বরং সক্রিয় সহযোগী। তারা ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, পরামর্শ ও তত্ত্বাবধানের মাধ্যমে নিজ সন্তানসহ পুরো প্রজন্মের নৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখবেন।
অভিভাবকদের প্রধান দায়িত্ব হলো সন্তানকে ক্লাবের শিক্ষা, নৈতিকতা, নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ ও সমাজসেবা কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে উৎসাহ দেওয়া।
সন্তান নিয়মিত সভা, পাঠচক্র ও ক্লাব কার্যক্রমে অংশ নিচ্ছে কিনা খেয়াল রাখা।
সময়মতো সুবাস ও ফি প্রদানে সহায়তা করা।
সন্তানকে নৈতিক ও ইতিবাচক চিন্তায় অনুপ্রাণিত করা।
দর্শন:
“অভিভাবকের উৎসাহই সন্তানের আত্মবিশ্বাসের প্রথম উৎস।”
প্রতি তিন মাসে একবার অভিভাবক পরিষদ (Parents’ Council) সভা অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে ক্লাবের কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা আলোচনা করা হবে। অভিভাবকরা সেখানে তাদের মতামত, পরামর্শ এবং পর্যবেক্ষণ উপস্থাপন করবেন। এই সভাগুলোই হবে ক্লাব–অভিভাবক সম্পর্কের সেতুবন্ধন।
ক্লাবের অগ্রগতি ও কার্যক্রম প্রতিবেদন
শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও চরিত্র উন্নয়ন পর্যবেক্ষণ
ক্লাবের ফান্ড ব্যবহার ও স্বচ্ছতা রিপোর্ট
পরবর্তী পরিকল্পনা ও প্রস্তাব গ্রহণ
অভিভাবকরা প্রত্যেক সন্তানের শিক্ষাগত, আচরণগত ও সামাজিক উন্নয়ন তদারকি করবেন। তারা ক্লাব ও স্কুল—দুই জায়গার সংযোগ রক্ষা করবেন, যাতে শিশুর নৈতিক বিকাশ সঠিকভাবে এগিয়ে যায়।
সন্তান ক্লাব থেকে কী শিখছে তা বোঝা ও প্রয়োগে উৎসাহ দেওয়া।
সন্তানের আচরণ, ভাষা, সময় ব্যবহার ও নৈতিকতা পর্যবেক্ষণ করা।
সন্তানের ভালো কাজের প্রশংসা করা এবং ভুল সিদ্ধান্তে পরামর্শ দেওয়া।
উদ্দেশ্য:
“সন্তান শুধু পড়াশোনা নয়, ভালো মানুষ হোক — এটাই হবে অভিভাবকের লক্ষ্য।”
অভিভাবকরা ক্লাবের কল্যাণমূলক তহবিলে বার্ষিক বা ইচ্ছেমতো অনুদান প্রদান করতে পারবেন। এটি পুরোপুরি স্বেচ্ছামূলক। এই অনুদান দিয়ে পরিচালিত হবে শিক্ষা সহায়তা, বৃত্তি, স্বাস্থ্যসেবা ও প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম।
নগদ / বিকাশ / ব্যাংক ট্রান্সফার
বার্ষিক “অভিভাবক দিবস” অনুষ্ঠানে হাতে প্রদান
বিশেষ প্রকল্প ভিত্তিক (যেমন—এক শিক্ষার্থীকে বৃত্তি সহায়তা)
এছাড়া, অভিভাবকদের অভিজ্ঞতা ও চিন্তা থেকে ক্লাব নিয়মিত পরামর্শ গ্রহণ করবে। তারা নেতৃত্ব, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক দিকনির্দেশনা দিয়ে ক্লাবকে সমৃদ্ধ করবেন।
মূল ভাবনা:
“অভিভাবকের পরামর্শই ক্লাবের সবচেয়ে বড় সম্পদ।”
শিক্ষার্থী–অভিভাবক সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করতে প্রতিটি ইউনিটে
একটি “অভিভাবক পরিষদ” গঠন করা হবে।
১️.সভাপতি: নির্বাচিত বা মনোনীত অভিভাবক, যিনি পুরো পরিষদের নেতৃত্ব দেবেন।
২️.সহ-সভাপতি: সভাপতিকে সহায়তা করবেন এবং বিশেষ সভা পরিচালনা করবেন।
৩️.সদস্যবৃন্দ: প্রতিটি ইউনিট থেকে অন্তত একজন অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হবেন।
ক্লাবের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা কার্যক্রমে পরামর্শ দেওয়া।
বার্ষিক রিপোর্ট সভায় উপস্থিত থেকে মতামত প্রদান।
শিক্ষার্থীদের উন্নয়নমূলক প্রোগ্রাম আয়োজন ও সহায়তা করা।
বৃত্তি প্রোগ্রামের মনোনয়ন ও মূল্যায়নে অংশ নেওয়া।
প্রতি ৩ মাসে একবার নিয়মিত সভা।
বিশেষ পরিস্থিতিতে জরুরি সভা আহ্বান করা যাবে।
১. সন্তান ও ক্লাবের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করা।
২. অভিভাবককে সন্তানের নৈতিক যাত্রায় সক্রিয় অংশীদার করা।
৩. পারিবারিক মূল্যবোধ ও ক্লাবের নৈতিক দর্শনের মধ্যে সামঞ্জস্য আনা।
৪. সমাজে “শিক্ষা + চরিত্র + দায়িত্ববোধ”–এর সংস্কৃতি গড়ে তোলা।
সন্তানকে ক্লাব কার্যক্রমে উৎসাহ দেওয়া।
অভিভাবক পরিষদের সভায় নিয়মিত অংশগ্রহণ করা।
সন্তানের শিক্ষা ও নৈতিক বিকাশ তদারকি করা।
বার্ষিক অনুদান ও বাস্তব পরামর্শ দেওয়া।
পরিষদে সভাপতি, সহ-সভাপতি ও প্রতিনিধি সদস্য হিসেবে ভূমিকা রাখা।
মূল দর্শন:
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব শুধু ছাত্রদের নয় — এটি অভিভাবকদেরও এক পরিবার, যেখানে একসাথে গড়ে ওঠে সুন্দর ভবিষ্যৎ।”
ভূমিকা:
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” বিশ্বাস করে, প্রতিটি শিক্ষার্থীর ভেতরেই নেতৃত্বের বীজ আছে। সেই বীজকে লালন করার জন্যই এই প্রতিনিধি ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে —যেখানে ছাত্রছাত্রীরা দায়িত্ব শিখবে, নেতৃত্ব গড়বে, এবং বাস্তবে সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এই প্রতিনিধি ব্যবস্থা তিনটি স্তরে গড়ে তোলা হবে — ইউনিট নেতৃত্ব, বিভাগীয় দায়িত্ব, এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।
প্রতিটি স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ বা এলাকার সদস্যদের পরিচালনার জন্য একটি “ইউনিট কমিটি” গঠন করা হবে, যা ক্লাবের কার্যক্রম পরিচালনা ও সদস্যদের সংযুক্ত রাখবে।
সদস্যদের মতামত, অংশগ্রহণ ও নেতৃত্বগুণের ভিত্তিতে ইউনিট কমিটি গঠন হবে।
প্রতিটি কমিটির মেয়াদ হবে ১ বছর।
কমিটি গঠনের সময় একজন শিক্ষক বা অভিভাবক পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
সভাপতি
সম্পাদক
শিক্ষা দায়িত্বশীল
সমাজসেবা দায়িত্বশীল
স্বাস্থ্য সচেতনতা দায়িত্বশীল
প্রচার দায়িত্বশীল
কোষাধ্যক্ষ
এই কমিটি ইউনিটের সকল শিক্ষা, নৈতিক, স্বাস্থ্য ও সামাজিক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
প্রতিটি প্রতিনিধি যেন নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে বুঝে এবং তা সফলভাবে সম্পাদন করতে পারে।
প্রতি তিন মাসে “Leadership Skill Workshop” আয়োজন করা হবে।
কেন্দ্রীয় অফিস থেকে দেওয়া হবে Leadership Guideline Booklet।
সভাপতির জন্য থাকবে “Decision-Making & Team Building” প্রশিক্ষণ।
সম্পাদকদের জন্য থাকবে “Communication & Coordination Skill” কোর্স।
সমাজসেবা ও প্রচার দায়িত্বশীলদের জন্য “Public Speaking & Motivation Session।”
প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী আত্মবিশ্বাসী, সংগঠিত ও দায়িত্বশীল নেতা হিসেবে গড়ে উঠবে।
দর্শন:
“নেতা সেই, যে কাজের মাধ্যমে অন্যকে অনুপ্রাণিত করে।”
প্রত্যেক ইউনিটে শুধু কমিটির সদস্যরাই নয়,
সাধারণ সদস্যরাও দায়িত্ব পাবে তাদের আগ্রহ ও দক্ষতার ভিত্তিতে।
পাঠচক্র সমন্বয়কারী: শিক্ষা ক্লাস পরিচালনা করবে।
সাফাই দলনেতা: পরিবেশ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবে।
স্বাস্থ্য দূত: স্বাস্থ্য সচেতনতা প্রচার করবে।
বন্ধুত্ব প্রতিনিধি: নতুন সদস্যদের ক্লাবে পরিচিত করবে।
মিডিয়া সহকারী: প্রচারণা বা ফটোগ্রাফির কাজে অংশ নেবে।
এইভাবে প্রত্যেক শিক্ষার্থী নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করবে এবং দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে আত্মনির্ভর হবে।
মূল নীতি:
“দায়িত্ব দিলে শিশুরা কাজ শিখে, দায়িত্ব না দিলে তারা শুধু কথা শিখে।”
দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সব ইউনিটকে এক সুসংহত নেতৃত্ব কাঠামোর অধীনে আনা, যাতে ক্লাবের নীতি, কার্যক্রম ও দিকনির্দেশনা এক থাকে।
১️. ইউনিট সভাপতি ও সম্পাদক কেন্দ্রীয় সম্মেলনে অংশ নেবে।
২️. এই প্রতিনিধি দল থেকেই ভোটের মাধ্যমে কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হবে।
৩️. নির্বাচনের তত্ত্বাবধানে থাকবে অভিভাবক পরিষদ ও সমবায় সমিতির প্রতিনিধি।
৪️. মেয়াদ: এক বছর, পুনঃনির্বাচনের সুযোগ থাকবে।
সরাসরি ভোট (Ballot System)
অথবা সর্বসম্মতিক্রমে (Consensus)
প্রার্থী হতে হলে কমপক্ষে ৬ মাসের সক্রিয় সদস্য হতে হবে।
নতুন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব শপথ গ্রহণ করবে।
বার্ষিক সম্মেলনে “Leadership Oath” পাঠ করা হবে।
১. শিক্ষার্থীদের মাঝে দায়িত্ব, আত্মবিশ্বাস ও উদ্যোগী মানসিকতা তৈরি করা।
২. দলবদ্ধভাবে কাজ করা, মতামত গ্রহণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়া শেখানো।
৩. সমাজের জন্য ভালো কাজ করার মানসিকতা তৈরি করা।
৪. ভবিষ্যতে দেশের সৎ, মানবিক ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্ব তৈরি করা।
আমাদের স্বপ্ন:
“আজকের ছাত্র–ছাত্রীরা হবে আগামী দিনের নেতা, আর তাদের প্রতিটি ভালো সিদ্ধান্তই বদলে দেবে সমাজের ভবিষ্যৎ।”
প্রতিটি ইউনিটে নেতৃত্ব কমিটি গঠন করা হবে।
প্রতিনিধি শিক্ষার্থীরা নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দিকনির্দেশনা পাবে।
দায়িত্ব ভাগ করে প্রত্যেকে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জন করবে।
কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নির্বাচন হবে অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতিতে।
সব মিলিয়ে, ক্লাব তৈরি করবে “Good Decision Leadership Generation” —
একটি প্রজন্ম যারা জানবে কীভাবে চিন্তা করতে হয়, নেতৃত্ব দিতে হয়, এবং সেবা করতে হয়।
মূল দর্শন:
“নেতৃত্ব শেখানো মানে, ভালো সিদ্ধান্ত নেওয়ার মান শেখানো।”
ভূমিকা:
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এর মূল শক্তি হলো জ্ঞান, নৈতিকতা ও ভালো সিদ্ধান্তের চর্চা। এই ক্লাব শুধু বই পড়ার জায়গা নয় — এটি এমন এক শিক্ষালয়, যেখানে শিক্ষার্থীরা শেখে কীভাবে চিন্তা করতে হয়, সিদ্ধান্ত নিতে হয়, এবং নিজের ও সমাজের জন্য ভালো কাজ করতে হয়। ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রম সাজানো হয়েছে শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিকতা, চরিত্র, নেতৃত্ব ও মানবিক গুণাবলী বিকাশের উদ্দেশ্যে।
যেসব শিক্ষার্থী আর্থিক অসচ্ছলতা, শিক্ষাগত দুর্বলতা বা সুযোগের অভাবে পিছিয়ে আছে, তাদের নিয়মিত সহায়তা ও পরামর্শ দেওয়া।
প্রতিটি ইউনিটে “Education Mentor Team” গঠন করা হবে।
দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে সহায়তা ক্লাস।
“বই বিনিময়” প্রোগ্রাম, যাতে দরিদ্র শিক্ষার্থীরা সহজে বই পায়।
মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তি ও পুরস্কার ব্যবস্থা।
দর্শন:
“জ্ঞান ভাগ করলে কমে না, বরং আলো আরও ছড়িয়ে পড়ে।”
শিক্ষার্থীদের মধ্যে শেখার আনন্দ, দলবদ্ধ আলোচনা ও পারস্পরিক সাহায্যের সংস্কৃতি তৈরি করা।
প্রতিটি ইউনিটে সপ্তাহে একদিন “পাঠচক্র” আয়োজন করা হবে।
৫–৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ছোট দল গঠন করে নির্দিষ্ট বিষয় পড়ানো বা আলোচনা করা।
সিনিয়র শিক্ষার্থীরা জুনিয়রদের পড়াবে — “Student helps Student” নীতিতে।
পাঠচক্রে থাকবে কুইজ, প্রশ্নোত্তর, গল্প ও আলোচনা।
লক্ষ্য:
“শেখা মানে শুধু পড়া নয়, ভাবা, আলোচনা করা এবং প্রয়োগ করা।”
“Good Decision Never Loss” দর্শনের ভিত্তিতে নৈতিক চিন্তা, সঠিক সিদ্ধান্ত ও বাস্তব জীবনের মূল্যবোধ শেখানো।
মাসে একবার “Good Decision Session” আয়োজন করা হবে।
প্রতিটি সেশনে একটি বাস্তব জীবনের বিষয় (যেমন— সততা, সময় ব্যবস্থাপনা, মিথ্যা থেকে দূরে থাকা, দায়িত্ববোধ ইত্যাদি) নিয়ে আলোচনা হবে।
ছোট গল্প, ভিডিও, নাটিকা বা কেস স্টাডির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের চিন্তা করানো হবে।
শেষে সবাই মিলে নিজের “ভালো সিদ্ধান্ত প্রতিজ্ঞা” লিখে শেয়ার করবে।
দর্শন:
“ভালো সিদ্ধান্ত নিতে শেখাই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষা।”
শিক্ষার্থীদের হৃদয়ে আল্লাহভীতি, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ জাগানো।
প্রতি শুক্রবার বা সপ্তাহে একদিন ইসলামিক ও নৈতিক ক্লাস আয়োজন।
শিশুদেরকে নামাজ, সততা, দান, কৃতজ্ঞতা, শৃঙ্খলা সম্পর্কে শেখানো।
ইসলামী ইতিহাস, নবীদের জীবন, সাহাবীদের আদর্শ থেকে অনুপ্রেরণা দেওয়া।
পাশাপাশি মানবিকতা, সহানুভূতি, সহনশীলতা ও ভালোবাসার শিক্ষা।
উদ্দেশ্য:
“যে আল্লাহকে ভালোবাসে, সে মানুষকেও ভালোবাসে —এই সম্পর্কটাই নৈতিকতার মূল।”
শিক্ষার্থীরা যেন পরীক্ষার সময় মানসিক চাপ ছাড়াই প্রস্তুতি নিতে পারে, তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ে এবং পড়াশোনার মান উন্নত হয়।
পরীক্ষার আগে “Exam Support Camp” আয়োজন করা হবে।
মডেল টেস্ট, প্রশ্ন সমাধান ও সময় ব্যবস্থাপনা শেখানো হবে।
মেধাবী সদস্যরা দুর্বলদের সহায়তা করবে।
“Study Motivation Talk” আয়োজন করে মানসিক প্রস্তুতি জোরদার করা।
মন্ত্র:
“চাপ নয়, প্রস্তুতি; ভয় নয়, আত্মবিশ্বাস।”
১. বই পাঠ অভিযান: প্রতি মাসে একটি অনুপ্রেরণামূলক বই পড়া ও আলোচনা।
২. ভালো কাজ প্রতিযোগিতা: প্রতিটি সদস্য মাসে একটি ভালো কাজ রিপোর্ট করবে।
৩. Good Decision Diary: শিক্ষার্থীরা প্রতিদিনের সিদ্ধান্ত ও অভিজ্ঞতা লিখবে।
৪. চিন্তা–কথা–কর্মে সততা চর্চা: দৈনন্দিন জীবনে নৈতিক আচরণের চর্চা।
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মনোযোগ ও ফলাফল উন্নত হবে।
চরিত্র ও আচরণে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সমস্যা সমাধানে দক্ষতা বাড়বে।
ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধে প্রজন্ম হবে সচেতন ও দায়িত্ববান।
দর্শন:
“শিক্ষা যদি চরিত্র না গড়ে, তবে সে শিক্ষা অসম্পূর্ণ।”
শিক্ষা সহায়তা প্রোগ্রাম — জ্ঞানের সমান সুযোগ নিশ্চিত করা।
পাঠচক্র ও টিউটরিং — শেখাকে আনন্দময় করা।
নৈতিক শিক্ষা ক্লাস — ভালো সিদ্ধান্তের চিন্তা গড়ে তোলা।
ইসলামিক ও মানবিক মূল্যবোধ — চরিত্রে নৈতিকতা স্থাপন।
পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রুপ — আত্মবিশ্বাসী শিক্ষার্থী তৈরি করা।
মূল দর্শন:
“জ্ঞান শেখা শুরু, কিন্তু ভালো সিদ্ধান্তই প্রকৃত শিক্ষা।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” শুধু শিক্ষা ও নৈতিকতা শেখায় না, বরং শেখায় — মানুষ মানুষের জন্য। একজন শিক্ষার্থীকে শিখতে হবে নিজের স্বাস্থ্য রক্ষা, সমাজের প্রতি ভালোবাসা, এবং মানবিক দায়িত্ববোধ — এটাই এই অংশের মূল উদ্দেশ্য।
শিক্ষার্থীদের এবং তাদের পরিবারকে স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে সচেতন করা।
প্রতিটি ইউনিটে বছরে অন্তত ২ বার স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজন।
“হাত ধোওয়ার অভ্যাস”, “পরিচ্ছন্ন স্কুল–পরিচ্ছন্ন মন” ইত্যাদি বিষয়ভিত্তিক আলোচনা।
স্থানীয় ডাক্তার বা স্বাস্থ্যকর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে কর্মশালা।
ছেলেমেয়েদের জন্য আলাদা স্বাস্থ্য সেশন (বিশেষ করে টিন শাখায়)।
মূল বার্তা:
“পরিচ্ছন্নতা শুধু দেহের নয়, চরিত্রেরও সৌন্দর্য।”
অসহায় বা নিম্ন আয়ের শিক্ষার্থীদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া এবং নিয়মিত মেডিকেল চেকআপের সুযোগ তৈরি করা।
“Bangladesh Medico Pharmacy”–এর সহযোগিতায় প্রতি তিন মাসে একবার ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন।
প্রয়োজনীয় ওষুধ বিনামূল্যে বা ছাড় মূল্যে প্রদান।
শিক্ষার্থীদের জন্য “Health Card” চালু করা — যেখানে তাদের ওজন, উচ্চতা, রক্তচাপ ও সাধারণ স্বাস্থ্য তথ্য থাকবে।
প্রতিটি ইউনিটে “প্রাথমিক চিকিৎসা বাক্স (First Aid Box)” রাখা।
দর্শন:
“শরীর সুস্থ থাকলে মনও নৈতিক হয়।”
পরিবেশকে রক্ষা করা, প্রকৃতির প্রতি দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করা এবং পরিচ্ছন্ন সমাজ গড়ে তোলা।
“এক সদস্য, এক গাছ” — প্রতিটি সদস্যকে অন্তত একটি গাছ লাগাতে উৎসাহিত করা।
পরিবেশ দিবস, স্বাধীনতা দিবস ইত্যাদি উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ক্যাম্প।
স্কুল, মাদ্রাসা ও আশেপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা অভিযান আয়োজন।
“Clean Friday” নামে মাসে একদিন পুরো ইউনিট পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
উদ্দেশ্য:
“পরিবেশ রক্ষা করা মানেই নিজের ভবিষ্যৎ রক্ষা করা।”
অসহায়, অনাথ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো — শিক্ষা ও মানবিক সহায়তার মাধ্যমে।
“এক সদস্য এক সহায়তা” প্রকল্প: প্রতি সদস্য মাসে ১ টাকার ফান্ড অনুদান করবে।
দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বই, খাতা, পোশাক বা ফি সহায়তা দেওয়া।
অনাথ আশ্রম পরিদর্শন করে শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ভাগাভাগি করা।
বিশেষ ঈদ উপহার, শীতবস্ত্র বিতরণ ও খাদ্য সহায়তা প্রোগ্রাম।
দর্শন:
“যে অন্যের জন্য কিছু করে, সেই সত্যিকারের সফল মানুষ।”
প্রত্যেক শিক্ষার্থী যেন প্রতি মাসে অন্তত একটি ভালো কাজ করে — নিজের পরিবার, বন্ধু, স্কুল বা সমাজের জন্য।
কারও পড়াশোনায় সাহায্য করা।
অসুস্থ প্রতিবেশীকে সহায়তা করা।
ছোট ভাই–বোনকে ভালোভাবে পড়ানো।
বর্জ্য ফেলা থেকে কাউকে বিরত করা।
কারও প্রতি মিথ্যা না বলা বা ক্ষমা করা।
প্রত্যেক সদস্য তার ভালো কাজ “Good Decision Diary”–তে লিখে রাখবে, এবং মাস শেষে সভায় সেটি শেয়ার করবে।
মন্ত্র:
“একটা ভালো কাজ হয়তো ছোট, কিন্তু তার প্রভাব বিশাল।”
১️.প্রতিটি ইউনিটে সমাজসেবা কমিটি গঠন।
২️.স্থানীয় প্রশাসন ও স্কুলের সঙ্গে সমন্বয় করে ক্যাম্প আয়োজন।
৩️.বছরে অন্তত একটি বৃহৎ “Good Decision Social Festival” আয়োজন।
৪️.দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য: ক্লাবের সদস্যদের মাধ্যমে “নৈতিক সমাজ গঠন আন্দোলন” সৃষ্টি করা।।
শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ বাড়বে।
সমাজে পরিচ্ছন্নতা ও সেবার সংস্কৃতি তৈরি হবে।
অনাথ ও দরিদ্র শিক্ষার্থীরা ক্লাবের মাধ্যমে সহায়তা পাবে।
সদস্যদের মাঝে মানবিকতা, সহানুভূতি ও আত্মনিবেদন গড়ে উঠবে।
“One Student One Good Work” নীতিতে প্রতিটি সদস্য নিজের সমাজে অনুপ্রেরণার প্রতীক হবে।
স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প → স্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্নতা শিক্ষা।
ফ্রি মেডিকেল চেকআপ → বিনামূল্যে সেবা ও ওষুধ সহায়তা।
বৃক্ষরোপণ অভিযান → পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ প্রজন্ম তৈরি।
দরিদ্র শিক্ষার্থী সহায়তা → মানবিক সমাজ গঠন।
One Student One Good Work → প্রতিটি শিক্ষার্থী হবে সমাজের পরিবর্তনের দূত।
মূল দর্শন:
“নিজের শরীরের যত্ন নেওয়া ইবাদত, আর সমাজের যত্ন নেওয়া মানবতা।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” মনে করে — নেতৃত্ব শেখানো যায়, যদি সুযোগ দেওয়া হয়। প্রত্যেক শিশুর ভেতরেই লুকিয়ে আছে নেতৃত্বের বীজ। এই বীজকে পরিচর্যা করার জন্যই ক্লাবের প্রশিক্ষণ ও ক্যাম্প প্রোগ্রামগুলো তৈরি করা হয়েছে, যাতে তারা সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া, দলকে নেতৃত্ব দেওয়া, এবং নৈতিক পথে চলা — এই তিনটি গুণ একসাথে অর্জন করতে পারে।
“Marium Leadership Camp” (বার্ষিক নেতৃত্ব প্রশিক্ষণ)
নেতৃত্ব, দলগত সমন্বয় ও দায়িত্ববোধ শেখানোর জন্য বছরে একবার আয়োজন করা হবে “Marium Leadership Camp”, যেখানে অংশ নেবে দেশের বিভিন্ন ইউনিটের নির্বাচিত শিক্ষার্থী ও প্রতিনিধি।
নেতৃত্বের ব্যবহারিক ও মানসিক প্রশিক্ষণ
টিম ওয়ার্ক, পরিকল্পনা ও সমস্যা সমাধান অনুশীলন
জনসমক্ষে কথা বলার (Public Speaking) দক্ষতা তৈরি
“Decision in Difficult Time” বাস্তব অনুশীলন
নৈতিক চিন্তা, আত্মবিশ্বাস ও দায়িত্ব শেখানো
দর্শন:
“নেতৃত্ব মানে আদেশ দেওয়া নয়, বরং অনুপ্রেরণা তৈরি করা।”
প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা তাদের ইউনিটে নেতৃত্ব দেবে
দলীয় সমন্বয় ও মানবিক নেতৃত্ব চর্চা তৈরি হবে
“Good Decision Never Loss” দর্শনের বাস্তব প্রয়োগ শেখানো —অর্থাৎ কিভাবে একজন শিক্ষার্থী তার জীবনের প্রতিটি ধাপে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে এবং ভুল থেকে শিক্ষা নিতে পারে।
নৈতিক গল্প ও বাস্তব জীবনের আলোচনা
সিদ্ধান্ত গ্রহণের কেস স্টাডি (Case Study Learning)
জীবন দক্ষতা (Life Skill) ক্লাস — যেমন সময় ব্যবস্থাপনা, আত্মনিয়ন্ত্রণ, সম্পর্ক গঠন
আত্মবিশ্বাস ও স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট ট্রেনিং
“Good Decision Challenge” — শিক্ষার্থীরা নিজের বাস্তব সিদ্ধান্ত শেয়ার করবে
মূল শিক্ষা:
“প্রতিটি ভালো সিদ্ধান্ত হয় সাফল্যের চাবিকাঠি, নয় একটি শিক্ষণীয় অভিজ্ঞতা।”
শিক্ষার্থীরা নিজস্ব চিন্তা ও নৈতিক বিচারবোধে দৃঢ় হবে
আত্মনিয়ন্ত্রণ, আত্মবিশ্বাস ও সহনশীলতা বৃদ্ধি পাবে
সিনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে প্রশিক্ষক তৈরি করা — যারা পরবর্তীতে জুনিয়রদের শেখাবে, গাইড করবে এবং ক্লাবের কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেবে।
নির্বাচিত ইয়ুথ সদস্যদের বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রদান
তাদের শেখানো হবে “Teaching & Mentorship Skill”
বাস্তব মাঠে “Mini Leadership Workshop” পরিচালনার সুযোগ দেওয়া
প্রত্যেক প্রশিক্ষককে সার্টিফিকেট ও “Young Trainer” ব্যাজ প্রদান
দর্শন:
“যে শেখায়, সে দ্বিগুণ শিখে।”
স্বেচ্ছাসেবী প্রশিক্ষক তৈরি হবে
ক্লাবের কার্যক্রমে আত্মনির্ভরতা বাড়বে
সদস্যদের মধ্যে দায়িত্ববোধ ও আত্মবিশ্বাস দৃঢ় হবে
দেশব্যাপী ক্লাবের সবচেয়ে যোগ্য, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান শিক্ষার্থীদের নিয়ে একটি বিশেষ বার্ষিক নেতৃত্ব বিদ্যালয় আয়োজন করা, যেখানে তারা হবে ভবিষ্যতের “Marium Student Leader।”
৩ দিনের Leadership Bootcamp (Residential Program)
প্রশিক্ষণ: Decision-Making, Communication, Self-Discipline, Empathy
ফিল্ড টাস্ক: “Real Leadership Challenge” (বাস্তব সমস্যা সমাধান)
অতিথি বক্তা: শিক্ষক, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবক
সমাপনী সেশনে “Good Decision Leadership Award” প্রদান
দর্শন:
“ভালো নেতা তৈরি হয় তখনই, যখন সে শেখে — কীভাবে ভালো মানুষ হতে হয়।”
নেতৃত্ব, দায়িত্ব ও আত্মনিয়ন্ত্রণের পূর্ণাঙ্গ বিকাশ
ভবিষ্যতের সমাজনির্মাণে যোগ্য তরুণদের প্রস্তুত করা
১️. প্রতি মাসে: ইউনিট পর্যায়ে ছোট প্রশিক্ষণ সেশন
২️. প্রতি ত্রৈমাসিকে: “Skill Growth Workshop”
৩️. প্রতি বছরে: বড় “Leadership Camp” ও “Good Decision Conference”
এইভাবে ক্লাবের সদস্যরা বছরজুড়ে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষামূলক ও অনুপ্রেরণামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ক্রমাগত দক্ষ, আত্মবিশ্বাসী ও দায়িত্বশীল হয়ে উঠবে।
প্রত্যেক সদস্যের মধ্যে নেতৃত্বের মনোভাব তৈরি হবে।
ক্লাব থেকে গড়ে উঠবে শত শত ছোট নেতা, যারা অন্যদের অনুপ্রেরণা দেবে।
শিক্ষার্থীরা জীবন পরিচালনায় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হবে।
সমাজে একটি “Good Decision Generation” তৈরি হবে —
যারা চিন্তায়, আচরণে ও কাজে আলোকিত প্রজন্মের প্রতীক হবে।
Marium Leadership Camp: নেতৃত্ব শেখা ও দলীয় সমন্বয়।
Good Decision Camp: নৈতিকতা, চিন্তা ও জীবনদক্ষতা বিকাশ।
Young Trainer Program: নেতৃত্বকে শিক্ষকতায় রূপান্তর।
Student Leadership School: ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব গঠনের জাতীয় প্ল্যাটফর্ম।
মূল দর্শন:
“নেতৃত্ব শেখানো মানে শুধু নেতা তৈরি নয়, বরং এমন মানুষ তৈরি করা যারা নিজের ও সমাজের জন্য ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারে।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম বৃত্তি প্রোগ্রাম” হলো মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব-এর একটি স্থায়ী শিক্ষা সহায়তা উদ্যোগ, যার উদ্দেশ্য হলো মেধাবী কিন্তু আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো —যাতে কোনো শিক্ষার্থী অর্থের অভাবে স্বপ্ন হারিয়ে না ফেলে। এই প্রোগ্রামের মূল ভিত্তি “Good Decision Never Loss” দর্শন —যেখানে বৃত্তি শুধু সহায়তা নয়, বরং একটি অনুপ্রেরণা,
যা শিক্ষার্থীকে শেখায় — ভালো সিদ্ধান্ত, পরিশ্রম ও সততা কখনো বৃথা যায় না।
দুই ধরণের শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হবে —
১️.মেধাভিত্তিক (Merit-Based): যারা পরীক্ষায় অসাধারণ ফলাফল করেছে।
২️.সহায়তাভিত্তিক (Need-Based): যাদের পরিবার আর্থিকভাবে দুর্বল কিন্তু তারা মনোযোগী ও পরিশ্রমী।
মরিয়ম মেধা বৃত্তি (Marium Merit Scholarship):
ক্লাসে ভালো ফলাফল ও ধারাবাহিক অধ্যবসায়ের ভিত্তিতে।
মরিয়ম সহায়তা বৃত্তি (Marium Support Scholarship):
দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য, যারা পড়াশোনায় আগ্রহী কিন্তু সুযোগ সীমিত।
বিশেষ অনুপ্রেরণা বৃত্তি (Good Decision Award):
যারা ক্লাবের কার্যক্রমে নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও সমাজসেবায় অনন্য ভূমিকা রাখে।
প্রতি বছর মার্চ মাসে আবেদন ফর্ম প্রকাশ করা হবে।
শিক্ষার্থীরা অনলাইন বা অফলাইন আবেদন করতে পারবে।
ফর্মে উল্লেখ থাকবে শিক্ষাগত ফলাফল, পারিবারিক তথ্য ও উদ্দেশ্য বিবৃতি।
১️. ইউনিট কমিটি আবেদন যাচাই করবে।
২️ .স্কুল/মাদ্রাসা থেকে ফলাফল ও আচরণ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা হবে।
৩️. অভিভাবক ও শিক্ষক পরামর্শ নেওয়া হবে।
৪️. প্রয়োজনে বাসায় গিয়ে সাক্ষাৎকার বা যাচাই করা হবে।
প্রতিটি ইউনিট থেকে প্রাথমিক তালিকা তৈরি হবে।
কেন্দ্রীয় বৃত্তি বোর্ড (Marium Scholarship Board) চূড়ান্ত অনুমোদন দেবে।
নির্বাচনের ভিত্তি হবে: মেধা (৪০%), আচরণ (৩০%), প্রয়োজন (৩০%)।
নীতিমালা:
“বৃত্তি সম্মান, অনুগ্রহ নয় — এটি ভালো সিদ্ধান্তের পুরস্কার।”
১️. ক্লাবের সদস্য ও অভিভাবকদের বার্ষিক অনুদান।
২️. বাহিরের শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমাজসেবীদের দান।
৩️. “Marium Cooperative Society”–এর বিশেষ সহায়তা তহবিল।
৪️. “One Student One Help” প্রকল্পের সঞ্চিত অর্থ।
Marium Scholarship Fund (MSF) নামে একটি বিশেষ অ্যাকাউন্টে সব অর্থ সংরক্ষণ করা হবে।
ফান্ড ব্যবহারে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে থাকবে “Scholarship Audit Team।”
প্রতি বছর আর্থিক রিপোর্ট ও বৃত্তি ব্যয়ের বিবরণ প্রকাশ করা হবে।
বিশ্বাস:
“এই তহবিলের প্রতিটি টাকা শিক্ষা ও আলোকিত ভবিষ্যতের জন্য।”
প্রতি বছর “Good Decision Day” উপলক্ষে বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।
স্থানীয় পর্যায়ে স্কুল বা কমিউনিটি হলে আয়োজন করা হবে।
উপস্থিত থাকবেন অভিভাবক, শিক্ষক, সমাজসেবক ও ক্লাবের সদস্যরা।
বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে থাকবে “Certificate of Achievement” ও “Good Decision Medal।”
শিক্ষার্থীদের মনোবল বৃদ্ধি করা, সমাজে অনুপ্রেরণার বাতাস ছড়িয়ে দেওয়া।
দর্শন:
“সম্মান দিলে শিক্ষার্থী অনুপ্রাণিত হয়, অনুপ্রেরণা পেলে সে আলোকিত হয়।”
বৃত্তি পাওয়া মানে শুধু সহায়তা নয়, বরং দায়িত্ব। প্রত্যেক বৃত্তিপ্রাপ্ত সদস্যকে ক্লাবের প্রতি নৈতিক প্রতিশ্রুতি দিতে হবে।
১️. নিয়মিত ক্লাবের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা।
২️. অন্য শিক্ষার্থীদের অনুপ্রাণিত করা ও সহযোগিতা করা।
৩️. নিজের শিক্ষা ও আচরণে ক্লাবের মর্যাদা রক্ষা করা।
৪️. ভবিষ্যতে সামর্থ্য অনুযায়ী অন্যদের সহায়তা করা।
“আমি মরিয়ম বৃত্তির একজন গর্বিত শিক্ষার্থী। আমি সততা, পরিশ্রম ও নৈতিকতায় অটল থাকব। আমি ভালো সিদ্ধান্ত নেব, সমাজে আলো ছড়াব, এবং একদিন অন্যদের সহায়তা করব —কারণ আমি জানি, Good Decision Never Loss.”
মেধা ও আর্থিক সহায়তা বৃত্তি → শিক্ষা অব্যাহত রাখার সুযোগ।
স্বচ্ছ যাচাই প্রক্রিয়া → ন্যায্য নির্বাচন।
স্থায়ী ফান্ড → স্বচ্ছ তহবিল ব্যবস্থাপনা।
বার্ষিক অনুষ্ঠান → অনুপ্রেরণা ও সম্মাননা।
বৃত্তিপ্রাপ্তদের শপথ → দায়িত্ব ও মানবিক অঙ্গীকার।
মূল দর্শন:
“বৃত্তি শুধু টাকার সহায়তা নয়, এটি এক শিক্ষার্থীর আত্মবিশ্বাসে বিনিয়োগ।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এ সদস্য হওয়া মানে শুধু কোনো সংগঠনের সদস্য হওয়া নয় — বরং এটি একটি শেখার, বেড়ে ওঠার এবং জীবনের সঠিক পথে চলার পরিবারে যুক্ত হওয়া। প্রতিটি সদস্য এখানে সুযোগ পায় শিক্ষা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও মানবিকতার বাস্তব অনুশীলনের। ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রম তৈরি করা হয়েছে যেন শিক্ষার্থী শুধু বই না, বরং জীবন থেকেও শিখতে পারে।
নিয়মিত পাঠচক্র (Study Circle) ও টিউটরিং ক্লাস-এ অংশগ্রহণের সুযোগ।
দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য “Education Support Group” থেকে সহায়তা পাওয়া।
বই বিনিময় প্রোগ্রাম ও পরীক্ষার প্রস্তুতি গ্রুপে যুক্ত থাকা।
“Good Decision Session”–এর মাধ্যমে চিন্তা, সিদ্ধান্ত ও আচরণ শেখা।
মূল উদ্দেশ্য:
“জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া শেখায় কিভাবে সবাই মিলে এগিয়ে যাওয়া যায়।”
নিয়মিত Free Medical Checkup Camp-এ অংশ নেওয়ার সুযোগ।
স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্লাস, পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি ও মানসিক সুস্থতা পরামর্শ পাওয়া।
স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্ডের মাধ্যমে নিজের মৌলিক স্বাস্থ্য তথ্য সংরক্ষণ।
“Clean Mind, Clean Life” প্রচারণার অংশ হিসেবে পুরস্কার অর্জনের সুযোগ।
মূল উদ্দেশ্য:
“সুস্থ দেহ ও পরিচ্ছন্ন মন — সফল জীবনের ভিত্তি।”
“Good Decision Camp” ও “Marium Leadership Camp”–এ অংশগ্রহণের সুযোগ।
প্রতি তিন মাসে Mini Leadership Workshop ও Life Skill Session।
Young Trainer প্রোগ্রামে অংশ নিয়ে নিজে নেতৃত্ব শেখা ও অন্যকে শেখানোর সুযোগ।
নৈতিক শিক্ষা, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্ববোধে বাস্তব প্রশিক্ষণ পাওয়া।
দর্শন:
“নেতৃত্ব শেখানো মানে জীবনের প্রতি সঠিক মনোভাব গড়ে তোলা।”
প্রতিটি কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অফিসিয়াল সার্টিফিকেট প্রাপ্তি।
বছরে একবার “Good Decision Award” ও “Best Student Member” সম্মাননা।
বৃত্তি প্রোগ্রামে অগ্রাধিকার এবং শিক্ষায় বিশেষ পুরস্কার।
সমাজসেবা বা নেতৃত্বে অনন্য ভূমিকার জন্য Appreciation Medal প্রদান।
মূল উদ্দেশ্য:
“সম্মানই অনুপ্রেরণার জ্বালানি।”
প্রতি ৬ মাসে Parent–Student Moral Workshop আয়োজন করা হবে।
এখানে অভিভাবক ও সন্তান একসাথে অংশ নেবে নৈতিকতা, সময় ব্যবস্থাপনা ও পারিবারিক মূল্যবোধ শেখায়।
অভিভাবক ও সন্তানের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ও বোঝাপড়া বাড়বে।
ক্লাব অভিভাবক পরিষদের সহযোগিতায় শিক্ষার্থীর অগ্রগতি ট্র্যাক করা হবে।
মূল দর্শন:
“সন্তানের সবচেয়ে বড় শিক্ষক তার অভিভাবক — ক্লাব শুধু সেই বন্ধনকে আরও শক্ত করে।”
শিক্ষার্থীদের অর্থ সচেতনতা ও সঞ্চয়ের অভ্যাস গড়ে তোলা।
“Mini Savings Program” – প্রতিটি সদস্য মাসে ১০ টাকা সঞ্চয় করতে পারবে।
বছরের শেষে সেই টাকা ফেরত বা শিক্ষাসামগ্রী ক্রয়ে ব্যবহারযোগ্য হবে।
সক্রিয় সদস্যদের জন্য বিশেষ “Marium Reward Points” সিস্টেম চালু করা হবে।
ক্লাব ফান্ডে অবদান রাখলে সদস্যকে “Contributor Badge” দেওয়া হবে।
মূল দর্শন:
“সঞ্চয় শেখায় দায়িত্ববোধ, প্রণোদনা শেখায় অনুপ্রেরণা।”
Volunteer Certificate: সমাজসেবা কার্যক্রমে অংশ নিলে সার্টিফিকেট প্রদান।
Cultural Program Participation: ক্লাবের বার্ষিক অনুষ্ঠান ও নাটিকা আয়োজনের সুযোগ।
Mentorship Access: সিনিয়র সদস্যদের কাছ থেকে শেখার ও পরামর্শ পাওয়ার সুযোগ।
Career Guidance (Future Plan): ভবিষ্যতে পেশাগত দিকনির্দেশনা ও কাউন্সেলিং।
মূল নীতি:
“ক্লাব শেখায় শুধু আজ নয়, আগামীকালের জন্যও প্রস্তুত থাকা।”
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এর প্রতিটি সদস্য এই সংগঠনের সম্মান, বিশ্বাস ও আদর্শের প্রতীক। তাই ক্লাবের সব কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার আগে প্রত্যেক সদস্যকে এই নিয়ম ও শর্তাবলি মেনে চলতে হবে। এই নীতিমালা শুধুমাত্র শৃঙ্খলার জন্য নয়,
বরং শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিত্ব, নৈতিকতা ও নেতৃত্বের মান উন্নত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
প্রত্যেক সদস্যকে “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এর মূল দর্শন, নীতি ও মূল্যবোধ অনুসরণ করতে হবে।
“Good Decision Never Loss” দর্শনকে ব্যক্তিগত জীবনে প্রয়োগ করার চেষ্টা করতে হবে।
ক্লাবের শিক্ষা, সমাজসেবা ও নৈতিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকতে হবে।
ক্লাবের অনুমতি ছাড়া কোনো বহিরাগত কার্যক্রমে ক্লাবের নাম ব্যবহার করা যাবে না।
মূল নীতি:
“যে সংগঠনের আদর্শ মেনে চলে, সে সংগঠনের মর্যাদা রক্ষা করে।”
প্রত্যেক সদস্যকে মাসিক সভা, প্রশিক্ষণ, শিক্ষা ক্লাস ও ক্যাম্পে অংশ নিতে হবে।
অনুপস্থিত থাকলে ইউনিট সম্পাদককে পূর্বে জানাতে হবে।
তিন মাস ধারাবাহিকভাবে অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ স্থগিত হতে পারে।
উপস্থিতি ও অংশগ্রহণ সদস্য মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
মূল উদ্দেশ্য:
“নিয়মিত অংশগ্রহণই নেতৃত্ব গড়ার প্রথম ধাপ।”
ক্লাবের ভেতরে বা বাইরে কোনো রকম খারাপ আচরণ, মিথ্যা, ঝগড়া বা অন্যকে অপমান করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
শিক্ষকের, অভিভাবকের বা সিনিয়র সদস্যের প্রতি অসম্মান করা যাবে না।
অন্য শিক্ষার্থী বা সদস্যের সঙ্গে অপব্যবহার করলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ক্লাবের সম্পদ বা নাম ব্যবহার করে কোনো ব্যক্তিগত লাভ অর্জন করা যাবে না।
নীতিমালা:
“শৃঙ্খলা ছাড়া প্রতিভা অকার্যকর, আর নৈতিকতা ছাড়া জ্ঞান বিপজ্জনক।”
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, মানবিক ও শিক্ষামুখী সংগঠন।
কোনো সদস্য রাজনৈতিক দল, সংগঠন বা মতাদর্শের প্রচারণা ক্লাবের মধ্যে চালাতে পারবে না।
ক্লাবের নামে কোনো রাজনৈতিক, ধর্মীয় বিতর্ক বা বিভাজনমূলক কাজ করা নিষিদ্ধ।
মূল বিশ্বাস:
“আমরা রাজনীতি নয়, মানুষ ও সমাজ গঠনের পথে বিশ্বাসী।”
প্রতিটি সদস্যকে সততা, দায়িত্ববোধ, সম্মান ও সহযোগিতার মনোভাব বজায় রাখতে হবে।
সিনিয়র সদস্যরা জুনিয়রদের প্রতি সহানুভূতিশীল ও পরামর্শদাতা হিসেবে আচরণ করবে।
সদস্যদের পোশাক, ভাষা ও আচরণ হবে মার্জিত ও পরিচ্ছন্ন।
ক্লাবের সিদ্ধান্ত ও কর্তৃপক্ষের নির্দেশ মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
সামাজিক মাধ্যমে ক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে এমন কিছু পোস্ট করা যাবে না।
দর্শন:
“নৈতিক আচরণই আসল নেতৃত্বের প্রথম শর্ত।”
যদি কোনো সদস্য নিয়ম লঙ্ঘন করে বা ক্লাবের নীতির পরিপন্থী আচরণ করে, তবে নিম্নলিখিত ধাপে ব্যবস্থা নেওয়া হবে:
১️. মৌখিক সতর্কবার্তা
২️. লিখিত নোটিশ ও সাময়িক স্থগিতাদেশ
৩️.স্থায়ী বহিষ্কার (যদি গুরুতর অপরাধ হয়)
৪️.পুনরায় যুক্ত হওয়ার সুযোগ (Behavior Improvement Program সম্পন্নের পর)
উদ্দেশ্য:
“শাস্তি নয়, সংশোধনই আমাদের লক্ষ্য।”
“আমি মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের একজন সদস্য।
আমি সততা, নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধে অটল থাকব।
আমি নিয়ম মেনে চলব, কারও ক্ষতি করব না,
এবং সবসময় ভালো সিদ্ধান্ত নিয়ে সুন্দর ভবিষ্যতের পথে চলব।
কারণ আমি বিশ্বাস করি — Good Decision Never Loss.”
বছরের শুরুতেই ক্লাব জুড়ে আয়োজন করা হবে “সদস্য ভর্তি অভিযান”। এই সময় নতুন শিক্ষার্থী, বন্ধু, সহপাঠী ও সমাজের তরুণদের ক্লাবে যুক্ত করা হবে। উদ্দেশ্য হলো ক্লাবের পরিধি বৃদ্ধি ও নতুন প্রজন্মকে “Good Decision Never Loss” দর্শনের সঙ্গে পরিচিত করা।
উদ্দেশ্য: নতুন সদস্য যুক্ত করা ও ক্লাবের ভিত্তি শক্ত করা।
এই মাসে পালিত হবে “নৈতিক শিক্ষা সপ্তাহ”, যেখানে শিক্ষার্থীরা শিখবে সততা, সহানুভূতি, সময় ব্যবস্থাপনা, দায়িত্ববোধ ও জীবনের ভালো সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুশীলন। সপ্তাহজুড়ে গল্প আলোচনা, নাটিকা, নৈতিক কুইজ ও “Good Decision Session” আয়োজন করা হবে।
উদ্দেশ্য: চরিত্র গঠন, চিন্তার বিকাশ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের শিক্ষা দেওয়া।
মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত হবে মরিয়ম বৃত্তি প্রোগ্রাম — যেখানে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে থাকবে বৃত্তি বিতরণ অনুষ্ঠান, সার্টিফিকেট প্রদান ও শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণামূলক সেশন।
উদ্দেশ্য: মেধাবী শিক্ষার্থীদের সম্মাননা ও আর্থিক সহায়তা দেওয়া।
বর্ষাকালের শুরুতে আয়োজিত হবে “স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প” ও “Free Medical Checkup” কার্যক্রম। এতে শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক চিকিৎসা, পরিচ্ছন্নতা, পুষ্টি ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হবে।
উদ্দেশ্য: শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা অভ্যাস তৈরি করা।
আগস্ট মাস জুড়ে ক্লাবের সদস্যরা অংশ নেবে সমাজসেবামূলক কাজে —যেমন বৃক্ষরোপণ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান, রক্তদান ক্যাম্প, অনাথদের সহায়তা ও সচেতনতা কর্মসূচি। এই মাসটিকে ক্লাব ঘোষণা করবে “One Student, One Good Work” মাস হিসেবে।
উদ্দেশ্য: সমাজে মানবিকতা, সহানুভূতি ও দায়িত্ববোধ সৃষ্টি করা।
এই মাসে আয়োজন করা হবে “Marium Leadership Camp”, যেখানে প্রতিটি ইউনিট থেকে প্রতিনিধি অংশ নেবে এবং নেতৃত্ব, যোগাযোগ দক্ষতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রশিক্ষণ নেবে। এছাড়া থাকবে “Good Decision Challenge” এবং “Team Building Activities।”
উদ্দেশ্য: নেতৃত্ব বিকাশ, আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ নেতাদের প্রস্তুত করা।
বছরের শেষ মাসে অনুষ্ঠিত হবে “Annual Good Decision Festival”, যেখানে একত্রিত হবে সব সদস্য, অভিভাবক, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষী। এখানে প্রদান করা হবে “Best Student Member Award”, “Best Unit”, “Parent of the Year” এবং “Marium Honor Award।” সাথে থাকবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, প্রদর্শনী ও ক্লাব রিপোর্ট উপস্থাপন।
উদ্দেশ্য: সারা বছরের সাফল্য উদযাপন, শ্রেষ্ঠ সদস্যদের সম্মাননা এবং নতুন বছরের অনুপ্রেরণা প্রদান।
জানুয়ারি: নতুন সদস্য সংগ্রহ ও ক্লাব সম্প্রসারণ
ফেব্রুয়ারি: নৈতিক শিক্ষা ও চরিত্র গঠন
মার্চ: বৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তা
জুন: স্বাস্থ্য সচেতনতা ও পরিচ্ছন্নতা
আগস্ট: সমাজসেবা ও মানবিক কার্যক্রম
নভেম্বর: নেতৃত্ব বিকাশ প্রশিক্ষণ
ডিসেম্বর: বার্ষিক উৎসব ও সম্মাননা অনুষ্ঠান
মূল দর্শন:
“প্রতিটি মাস এক একটি অনুপ্রেরণা, প্রতিটি কার্যক্রম এক একটি ভালো সিদ্ধান্তের গল্প।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”–এর প্রতিটি কার্যক্রম পরিচালিত হয় সদস্যদের সুবাস, শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান ও সমাজের সহযোগিতায়। এই ফান্ডের ব্যবস্থাপনা হবে সম্পূর্ণ স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও নিরীক্ষাযোগ্য।
ক্লাব বিশ্বাস করে —
“যে টাকা মানুষের কল্যাণে ব্যবহৃত হয়, সেটাই আসল বিনিয়োগ।”
প্রতিটি ইউনিট নিজস্ব সদস্যদের কাছ থেকে মাসিক সুবাস সংগ্রহ করবে। ইউনিট কোষাধ্যক্ষ দায়িত্বে থাকবেন এই সংগ্রহ, রসিদ প্রদান ও হিসাব সংরক্ষণের।
প্রতিটি সদস্য সুবাস সরাসরি ইউনিট অফিস বা বিকাশ/নগদে জমা দেবে।
জমা নেওয়ার পর অফিসিয়াল রসিদ প্রদান বাধ্যতামূলক।
প্রতিটি ইউনিটে “সুবাস রেজিস্টার” ও “ইনকাম-এক্সপেন্স রিপোর্ট” হালনাগাদ রাখা হবে।
মাস শেষে ইউনিট কোষাধ্যক্ষ কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন।
নীতিমালা:
“প্রতিটি টাকার হিসাব দিতে পারাই প্রকৃত দায়িত্ববোধ।”
সব ইউনিটের মাসিক রিপোর্ট কেন্দ্রীয় অফিসে জমা দেওয়ার পর কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ একটি সম্মিলিত “Monthly Fund Report” প্রস্তুত করবেন।
ইউনিট থেকে প্রাপ্ত হিসাব যাচাই ও ডকুমেন্ট সংরক্ষণ।
কেন্দ্রীয় “Finance Monitoring Team” দ্বারা রিপোর্ট পর্যালোচনা।
তিন মাস পরপর “Summary Report” তৈরি ও অভিভাবক পরিষদে উপস্থাপন।
প্রয়োজন অনুযায়ী ফান্ড ব্যবহারের অনুমোদন প্রদান।
ক্লাবের প্রতিটি আর্থিক লেনদেন যেন স্বচ্ছ ও নথিভুক্ত থাকে।
দর্শন:
“ফান্ডের স্বচ্ছতা মানেই বিশ্বাসের নিশ্চয়তা।”
প্রতি বছর একবার “Marium Cooperative Audit Team” দ্বারা ক্লাবের পূর্ণাঙ্গ আর্থিক নিরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে। নিরীক্ষা শেষে বিস্তারিত রিপোর্ট সংরক্ষণ করা হবে ক্লাবের আর্কাইভে এবং সদস্য ও অভিভাবক পরিষদে উপস্থাপন করা হবে।
১️. প্রতিটি ইউনিটের আয়–ব্যয়ের হিসাব যাচাই।
২️. কেন্দ্রীয় ফান্ডের ব্যবহার, অনুদান ও ব্যয়ের তুলনামূলক বিশ্লেষণ।
৩️. অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশোধনের নির্দেশ ও পরবর্তী পর্যবেক্ষণ।
সব লেনদেন রসিদ ও ডিজিটাল রেকর্ডে সংরক্ষিত থাকবে।
ফান্ড ব্যবহার সম্পর্কিত রিপোর্ট অনলাইন পোর্টালে প্রকাশ করা হবে।
কোনো সদস্য চাইলে নিজের ইউনিটের ফান্ড রিপোর্ট দেখতে পারবে।
মূল বিশ্বাস:
“বিশ্বাস ধরে রাখতে হলে, প্রতিটি টাকায় সততার ছাপ থাকতে হবে।”
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” সব ফান্ড ব্যয় করবে নির্ধারিত নৈতিক ও সামাজিক অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে —যাতে অর্থ যায় সেই জায়গায়, যেখান থেকে সর্বোচ্চ মানবিক ফলাফল পাওয়া যায়।
ফান্ডের সবচেয়ে বড় অংশ ব্যয় হবে শিক্ষা কার্যক্রমে —যেমন পাঠচক্র, বই বিতরণ, বৃত্তি, টিউটরিং ক্লাস ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের সহায়তায়।
উদ্দেশ্য: জ্ঞান যেন আর্থিক সীমাবদ্ধতায় থেমে না যায়।
দ্বিতীয় অগ্রাধিকার থাকবে স্বাস্থ্য খাতে —যেমন ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ওষুধ সহায়তা, স্বাস্থ্য সচেতনতা সেশন ও প্রাথমিক চিকিৎসা কিট বিতরণ।
উদ্দেশ্য: সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করা।
ফান্ডের একটি নির্দিষ্ট অংশ ব্যয় হবে সমাজসেবামূলক কাজে —যেমন বৃক্ষরোপণ, অনাথদের সহায়তা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও “One Student One Good Work” প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে।
উদ্দেশ্য: সমাজে মানবিকতা ও দায়িত্ববোধ ছড়িয়ে দেওয়া।
মোট ফান্ডের সর্বোচ্চ ২০% প্রশাসনিক কাজে ব্যয় করা যাবে —যেমন রেজিস্ট্রেশন, অফিস সামগ্রী, রসিদ, ইউনিফর্ম, এবং তথ্যসংরক্ষণ ব্যবস্থায়।
নীতি: প্রশাসনিক খরচ হবে কম, আর সেবার পরিধি হবে বড়।
১️. স্বচ্ছতা — প্রতিটি টাকার উৎস ও গন্তব্য জানা থাকবে।
২️. জবাবদিহিতা — প্রতিটি ইউনিটের কোষাধ্যক্ষ নিয়মিত রিপোর্ট দেবে।
৩️. স্বল্প ব্যয়ে সর্বোচ্চ ফল — অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নৈতিক অগ্রাধিকার।
৪️. ডিজিটাল ট্র্যাকিং — বিকাশ/নগদ ট্রান্সাকশনের রেকর্ড সংরক্ষণ।
৫️. Audit & Public Review — প্রতিবছর নিরীক্ষা ও অভিভাবক পরিষদে রিপোর্ট।
দর্শন:
“অর্থের সঠিক ব্যবহার মানেই সমাজে আস্থার সেতু গড়ে তোলা।”
ইউনিটভিত্তিক সুবাস সংগ্রহ ও হিসাব → সংগঠিত তহবিল কাঠামো
কেন্দ্রীয় রিপোর্টিং → স্বচ্ছ তদারকি ও সমন্বয়
বার্ষিক নিরীক্ষা → বিশ্বাসযোগ্য আর্থিক পরিবেশ
ব্যয়ের অগ্রাধিকার → শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা
প্রশাসনিক ব্যয় সীমা → সর্বাধিক সেবা, ন্যূনতম খরচ
মূল দর্শন:
“প্রতিটি টাকা যেন কারও ভবিষ্যৎ আলোকিত করতে পারে —এটাই মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের আর্থিক নীতি।”
— Marium Students Club
প্রত্যেক সদস্য যখন “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এ যুক্ত হয়,তখন সে শুধু একটি সংগঠনের অংশ হয় না —বরং একটি পরিবারে, একটি দর্শনে, একটি অঙ্গীকারে প্রবেশ করে। এই শপথের মাধ্যমে সদস্য নিজের জীবনে সততা, নৈতিকতা, নেতৃত্ব ও দায়িত্ববোধকে গ্রহণ করে। এটাই হলো সেই প্রতিজ্ঞা, যা তাকে একদিন সমাজের জন্য অনুপ্রেরণা করে তুলবে।
‘আমি ভালো সিদ্ধান্ত নেব’ —
মানে, আমি জীবনের প্রতিটি সিদ্ধান্ত নৈতিকতা, বিবেক ও জ্ঞানের আলোয় নেব।
‘শিক্ষা ও চরিত্রে আদর্শ হবো’ —
মানে, আমি শুধু ভালো ছাত্র নয়, ভালো মানুষও হবো।
‘সমাজে সেবা করব’ —
মানে, আমি অন্যের জন্য কিছু করতে শিখব, কারণ সমাজ আমারই আয়না।
‘সঠিক পথে চলব’ —
মানে, আমি অন্যায় বা লোভের বদলে সত্য, ন্যায্যতা ও মানবতার পথে থাকব।
‘ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না’ —
মানে, আমি বুঝি — প্রত্যেক সৎ প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত জয়ী হয়, কারণ ভালো সিদ্ধান্ত ব্যর্থ হয় না, বরং শেখায় কিভাবে আবার দাঁড়াতে হয়।
এই শপথই প্রতিটি সদস্যের অন্তরের নৈতিক কম্পাস। এটি তার মনে বপন করে সততার বীজ, শৃঙ্খলার চেতনা, আর আত্মবিশ্বাসের আলো। যেখানেই সে যাবে — স্কুলে, পরিবারে, সমাজে বা ভবিষ্যতের কর্মজীবনে —এই শপথ তাকে স্মরণ করাবে, “আমি মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের প্রতিনিধি — আমার প্রতিটি কাজই হবে একটি ভালো সিদ্ধান্ত।”
এই শপথই মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব-এর আত্মা।
এখান থেকেই শুরু হয় এক নতুন প্রজন্মের যাত্রা —
যারা শিক্ষা, চরিত্র ও সেবার মাধ্যমে গড়ে তুলবে এক নৈতিক বাংলাদেশ।
মূল দর্শন:
“ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না —
কারণ সেটিই আলোকিত ভবিষ্যতের প্রথম পদক্ষেপ।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” শুধু বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতের একটি নৈতিক, জ্ঞানভিত্তিক ও নেতৃত্বমুখী সমাজ গঠনের জন্য প্রতিষ্ঠিত। ভালো সিদ্ধান্ত, শিক্ষা ও চরিত্রের শক্তিতে এই ক্লাব একদিন বাংলাদেশের প্রতিটি ওয়ার্ড, স্কুল ও সমাজে পৌঁছে যাবে।
আগামী দুই বছরের মধ্যে চট্টগ্রামের প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত একটি ইউনিট ক্লাব গঠন করা হবে।
পরবর্তী ধাপে বিভাগীয় শহর ও জেলা পর্যায়ে বিস্তার করা হবে।
প্রতিটি ইউনিটে থাকবে সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষসহ পূর্ণাঙ্গ কার্যকর কমিটি।
ইউনিটগুলো কেন্দ্রীয় অফিসের নির্দেশনা ও প্রশিক্ষণ অনুযায়ী পরিচালিত হবে।
উদ্দেশ্য:
“প্রতিটি এলাকায় একটি নৈতিক পরিবার,
প্রতিটি পরিবারে একটি ভালো সিদ্ধান্ত।”
ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইন ভর্তি ফর্ম চালু করা হবে।
সদস্যরা ঘরে বসেই ক্লাবে যুক্ত হতে পারবে এবং ডিজিটাল আইডি কার্ড পাবে।
বিকাশ, নগদ বা অনলাইন পেমেন্টের মাধ্যমে সুবাস ও অনুদান প্রদান করা যাবে।
সদস্য তথ্য, রিপোর্টিং ও অডিট সিস্টেম একত্রে সংযুক্ত থাকবে “Marium ERP System”-এ।
উদ্দেশ্য:
“প্রযুক্তির শক্তিতে স্বচ্ছতা ও সহজতা।”
প্রতিবছর একবার জাতীয় পর্যায়ে “Good Decision Leadership Summit” আয়োজন করা হবে।
এতে অংশ নেবে দেশের বিভিন্ন স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজের সদস্য প্রতিনিধিরা।
সেমিনার, ওয়ার্কশপ, বিতর্ক ও সিদ্ধান্তভিত্তিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে।
দেশের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, উদ্যোক্তা ও সমাজসেবকরা থাকবেন অতিথি বক্তা হিসেবে।
উদ্দেশ্য:
“জাতীয় পর্যায়ে একদল তরুণ নেতা তৈরি করা, যারা চিন্তায়, চরিত্রে ও সিদ্ধান্তে হবে অনুপ্রেরণার প্রতীক।”
বৃত্তি কার্যক্রমকে স্থায়ী ও বড় পরিসরে চালু রাখতে
“Marium Scholarship Foundation” নামে একটি পৃথক প্রতিষ্ঠান গঠন করা হবে।
এটি ক্লাবের বৃত্তি, শিক্ষা সহায়তা, বই বিতরণ ও ছাত্র উন্নয়ন প্রোগ্রামের জন্য নিবেদিত থাকবে।
এর তহবিল আসবে সদস্য অনুদান, কর্পোরেট CSR ও শুভাকাঙ্ক্ষী দাতাদের মাধ্যমে।
উদ্দেশ্য:
“শিক্ষায় বিনিয়োগই সবচেয়ে বড় মানবিক দান।”
প্রতি বছর ক্লাবের “Annual Progress & Impact Report” প্রকাশ করা হবে।
রিপোর্টে থাকবে সদস্য সংখ্যা, কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, ব্যয় বিবরণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা।
সেই সঙ্গে আয়োজন করা হবে “Annual Good Decision Award Ceremony” —
যেখানে সম্মানিত করা হবে শ্রেষ্ঠ সদস্য, শ্রেষ্ঠ ইউনিট, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক ও অভিভাবককে।
উদ্দেশ্য:
“যা কাজ হয়েছে, সেটাকে সম্মান জানানোই পরবর্তী সাফল্যের অনুপ্রেরণা।”
আগামী ৫ বছরের মধ্যে বাংলাদেশে ৫০০+ ইউনিট গঠন।
৫০,০০০ সদস্যের “Good Decision Generation” তৈরি।
দেশের প্রতিটি স্কুলে অন্তত একটি “Marium Students Moral Circle” চালু।
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে “Good Decision Youth Network” প্রতিষ্ঠা।
দর্শন:
“আমরা শুধু সংগঠন নয়, তৈরি করছি এক নৈতিক প্রজন্ম।”
প্রতিটি ওয়ার্ডে ইউনিট ক্লাব গঠন → স্থানীয় পর্যায়ে বিস্তার
অনলাইন ভর্তি ও ERP সিস্টেম → ডিজিটাল স্বচ্ছতা
জাতীয় Leadership Summit → নেতৃত্ব বিকাশের প্ল্যাটফর্ম
Scholarship Foundation → শিক্ষা সহায়তার স্থায়ী রূপ
বার্ষিক রিপোর্ট ও পুরস্কার → জবাবদিহি ও অনুপ্রেরণা
মূল দর্শন:
“আজকের ছাত্র, আগামী দিনের নেতা —আর তাদের প্রতিটি ভালো সিদ্ধান্তই গড়ে তুলবে এক আলোকিত বাংলাদেশ।”
— Marium Students Club
ক্লাবের নীতি, কার্যক্রম, শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য একটি “উপদেষ্টা পরিষদ” (Advisory Council) গঠন করা হবে।
উপদেষ্টা পরিষদে সর্বনিম্ন ৫ জন এবং সর্বাধিক ১১ জন সদস্য থাকবেন।
তাঁরা হবেন সমাজের সম্মানিত শিক্ষক, সমাজসেবক, অভিভাবক, শিক্ষাবিদ ও উদ্যোক্তা।
তাঁদেরকে মনোনয়ন দেবে “মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি লি.” কর্তৃপক্ষ।
মেয়াদ হবে ২ বছর, পরে পুনর্নিয়োগ বা নবায়নের সুযোগ থাকবে।
১️. ক্লাবের বার্ষিক পরিকল্পনা ও বাজেট অনুমোদন করা।
২️. ক্লাবের নীতিমালা, নিয়ম ও আচরণবিধি পর্যবেক্ষণ করা।
৩️. নেতৃত্ব নির্বাচনে পরামর্শ প্রদান।
৪️. শিক্ষা ও সমাজসেবা কার্যক্রমে দিকনির্দেশনা দেওয়া।
৫️. কেন্দ্রীয় কমিটির বার্ষিক রিপোর্ট মূল্যায়ন করা।
দর্শন:
“উপদেষ্টা পরিষদ হলো ক্লাবের বিবেক —যারা চিন্তা করে, পরামর্শ দেয় এবং দিক ঠিক রাখে।”
সভাপতির মেয়াদ: ২ বছর
সাধারণ সম্পাদকের মেয়াদ: ২ বছর
অন্যান্য সদস্যদের মেয়াদ: ১ বছর (প্রয়োজনে নবায়নযোগ্য)
কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা তৈরি করা
বার্ষিক কার্যক্রম ও ক্যাম্প তদারকি
বৃত্তি প্রোগ্রাম ও ফান্ড ব্যবস্থাপনা
ইউনিট কমিটির মূল্যায়ন ও অনুমোদন
প্রতিটি ওয়ার্ড বা স্কুল পর্যায়ে একটি ইউনিট থাকবে।
১️. ৫ জন সক্রিয় সদস্যের সমন্বয়ে প্রাথমিক কমিটি তৈরি হবে।
২️. ইউনিট সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ নির্বাচন বা মনোনয়ন করা হবে।
৩️. কেন্দ্রীয় কমিটি অনুমোদন দিলে সেটিই কার্যকর ইউনিট হিসেবে গণ্য হবে।
ইউনিট কমিটির মেয়াদ ১ বছর
মেয়াদ শেষে নতুন নির্বাচন বা পুনর্গঠন করা হবে
নীতিমালা:
“প্রতিটি ইউনিট ক্লাবই হলো কেন্দ্রীয় ক্লাবের শাখা নয়, বরং তার প্রাণশক্তি।”
১️. সদস্য আবেদন ফর্ম পূরণ (অনলাইন বা অফলাইন)
২️. অভিভাবকের অনুমতি গ্রহণ
৩️. বয়স অনুযায়ী শাখা নির্ধারণ
৪️. প্রথম মাসের সুবাস ও ভর্তি ফি জমা
৫️. আইডি কার্ড ও মেম্বার নম্বর প্রদান
সাধারণ সদস্য: সক্রিয়ভাবে ক্লাবের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে
সহযোগী সদস্য (Associate): বাহিরের শুভাকাঙ্ক্ষী যারা অনুদান বা সহযোগিতা করে
সম্মানিত সদস্য (Honorary): বিশিষ্ট শিক্ষক বা সমাজসেবক যাদের অবদান রয়েছে
১️. ৩ মাস অনুপস্থিত থাকলে
২️. নিয়ম বা নৈতিক আচরণ লঙ্ঘন করলে
৩️. কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদনে সদস্যপদ স্থগিত বা বাতিল হতে পারে
নীতিমালা:
“সদস্য হওয়া মানে শুধু নাম নয় — এটি দায়িত্ব, আচরণ ও প্রতিজ্ঞার সম্মান।”
উপদেষ্টা পরিষদ: ২ বছর
কেন্দ্রীয় কমিটি: ২ বছর
ইউনিট কমিটি: ১ বছর
সদস্যপদ: আজীবন, তবে নিষ্ক্রিয়তা বা অনিয়মে স্থগিত হতে পারে
নতুন মেয়াদ শুরুর ৩০ দিন আগে পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রত্যেক কমিটি নির্বাচিত হওয়ার পর ১৫ দিনের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর সম্পন্ন করতে হবে।
১️. সকল সদস্য ক্লাবের আচরণবিধি, নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনে চলবে।
২️. ক্লাব সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, নিরপেক্ষ ও মানবিক সংগঠন।
৩️. সদস্যরা ক্লাবের নাম, প্রতীক ও লোগো অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করতে পারবে না।
৪️. অর্থনৈতিক কার্যক্রমের ক্ষেত্রে পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখতে হবে।
৫️. কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তই ক্লাবের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।
দর্শন:
“নিয়ম মানে সীমাবদ্ধতা নয় —
বরং সেটাই সংগঠনের স্থিতি, শৃঙ্খলা ও বিশ্বাসের প্রতীক।”
উপদেষ্টা পরিষদ ক্লাবের নৈতিক ও নীতিগত তদারকি করবে।
কেন্দ্রীয় কমিটি উপদেষ্টা পরিষদকে ত্রৈমাসিক রিপোর্ট দেবে।
উভয়ের মধ্যে সমন্বয়ের জন্য থাকবে “Advisory Coordination Meeting” প্রতি ৬ মাসে একবার।
নীতিমালা:
“পরামর্শ ছাড়া সিদ্ধান্ত অন্ধ, আর সিদ্ধান্ত ছাড়া পরামর্শ নিষ্ক্রিয়।”
উপদেষ্টা পরিষদ: ৫–১১ জন, মেয়াদ ২ বছর
কেন্দ্রীয় কমিটি: ২ বছর, নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনা
ইউনিট কমিটি: ১ বছর, স্থানীয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন
সদস্যপদ: ভর্তি → অনুমতি →সুবাস → আইডি কার্ড
নীতিমালা: স্বচ্ছতা, শৃঙ্খলা, নৈতিকতা ও সহযোগিতা
মূল দর্শন:
“একটি সংগঠন টিকে থাকে নিয়মে,বড় হয় নেতৃত্বে,আর প্রভাব ফেলে নৈতিকতায়।”
— Marium Students Club
সুবাস হলো মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাবের প্রধান আর্থিক ভিত্তি, যা ক্লাবের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহৃত হয়।
এই সুবাস সংগ্রহের নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে যাতে
ফান্ড ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা বজায় থাকে,
সদস্যদের মধ্যে জবাবদিহিতা তৈরি হয়,
প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।
মূল দর্শন:
“যে টাকায় সততা থাকে, সেটাই কল্যাণে রূপ নেয়।”
জুনিয়র শাখা (৫–১০ বছর): মাসিক ২০ টাকা
টিন শাখা (১১–১৪ বছর): মাসিক ৩০ টাকা
ইয়ুথ শাখা (১৫–১৮ বছর): মাসিক ৫০ টাকা
প্রয়োজনে কেন্দ্রীয় কমিটি ও উপদেষ্টা পরিষদের অনুমোদনে হার পরিবর্তন করা যেতে পারে।
প্রতি মাসের ১ তারিখ থেকে ১৫ তারিখের মধ্যে সুবাস জমা দিতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের পর জমা দিলে সেটি “বকেয়া সুবাস” হিসেবে গণ্য হবে।
দুই মাসের বেশি বকেয়া থাকলে সদস্যপদ সাময়িক স্থগিত হতে পারে।
তিন মাস পর কেন্দ্রীয় অনুমতি ছাড়া পুনরায় সদস্যপদ নবায়ন সম্ভব হবে না।
নীতিমালা:
“সময়মতো সুবাস দেওয়া মানে শুধু দায়িত্ব নয়, এটি ক্লাবের প্রতি অঙ্গীকার।”
ইউনিট কোষাধ্যক্ষ সুবাস সংগ্রহের দায়িত্বে থাকবেন।
প্রতিটি সদস্যকে অর্থ প্রদানের সময় রসিদ প্রদান বাধ্যতামূলক।
রসিদ বই ও অনলাইন রেকর্ড ক্লাব অফিসে সংরক্ষিত থাকবে।
প্রতি মাসের শেষে কোষাধ্যক্ষ ইউনিট রিপোর্ট প্রস্তুত করে কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষকে জমা দেবেন।
সব ইউনিট রিপোর্ট একত্রিত করে Monthly Fund Summary তৈরি করা হবে।
রিপোর্ট “Finance Monitoring Team” দ্বারা যাচাই ও আর্কাইভে সংরক্ষণ করা হবে।
কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ প্রতি তিন মাসে উপদেষ্টা পরিষদের কাছে আর্থিক রিপোর্ট উপস্থাপন করবেন।
নীতিমালা:
“যে অর্থের উৎস জানা যায়, সেই অর্থই সংগঠনের শক্তি।”
সদস্যরা নিচের মাধ্যমগুলো ব্যবহার করে সুবাস জমা দিতে পারবে —
১️. সরাসরি নগদ জমা (Unit Office)
২️. বিকাশ / নগদ / Rocket মাধ্যমে মোবাইল পেমেন্ট
৩️. অনলাইন পোর্টাল বা অ্যাপের মাধ্যমে ডিজিটাল পেমেন্ট (যখন চালু হবে)
নির্দেশনা:
প্রতিটি ডিজিটাল লেনদেনের ট্রানজেকশন আইডি সংরক্ষণ করতে হবে।
কোষাধ্যক্ষকে প্রতিটি জমার জন্য সদস্যকে রসিদ বা ডিজিটাল কনফার্মেশন দিতে হবে।
প্রতিটি সুবাস প্রদানের সময় সদস্যকে ক্লাবের অফিসিয়াল রসিদ প্রদান করা বাধ্যতামূলক।
রসিদে থাকবে: সদস্যের নাম, ইউনিট নাম, পরিমাণ, তারিখ ও কোষাধ্যক্ষের স্বাক্ষর।
রসিদ নম্বর ও জমার বিবরণ মাসিক রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে।
পুরোনো রসিদ বই সংরক্ষণ করা হবে কমপক্ষে ২ বছর পর্যন্ত।
নীতিমালা:
“স্বচ্ছ হিসাবই বিশ্বাসের প্রতীক।”
সংগ্রহকৃত সুবাস নিচের খাতে ব্যয় করা হবে —
১️. শিক্ষা কার্যক্রম ও বৃত্তি প্রোগ্রাম
২️. স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা কার্যক্রম
৩️. প্রশিক্ষণ ও নেতৃত্ব উন্নয়ন
৪️. প্রশাসনিক ও যোগাযোগ ব্যয়
কোনো ব্যয় করার আগে ইউনিট কমিটিকে কেন্দ্রীয় অনুমোদন নিতে হবে।
প্রতি ছয় মাসে একবার অভ্যন্তরীণ অডিট হবে।
প্রতি বছর একবার “Marium Cooperative Audit Team” দ্বারা পূর্ণাঙ্গ নিরীক্ষা হবে।
যেকোনো অনিয়ম বা অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে সংশোধন রিপোর্ট তৈরি করে উপদেষ্টা পরিষদে জমা দেওয়া হবে।
প্রয়োজন হলে আর্থিক আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য সদস্য বা কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
মূলনীতি:
“অডিট মানে দোষ খোঁজা নয়, বরং আস্থা বজায় রাখা।”
দুই মাসের বেশি বকেয়া থাকলে সদস্য “Inactive” গণ্য হবে।
তিন মাসের বেশি বকেয়া থাকলে পুনর্নবায়নের সময় বকেয়া পরিশোধ করতে হবে।
বিশেষ ক্ষেত্রে অভিভাবক পরিষদের সুপারিশে ছাড় দেওয়া যেতে পারে।
নীতিমালা:
“দায়িত্বের প্রতি সততা হলো সক্রিয় সদস্যতার মূল পরিচয়।”
ইউনিট পর্যায়ের প্রতিটি সদস্য তার ইউনিটের মাসিক ফান্ড রিপোর্ট দেখতে পারবে।
কেন্দ্রীয় পর্যায়ের ত্রৈমাসিক ফান্ড রিপোর্ট অভিভাবক পরিষদে উপস্থাপন করা হবে।
সকল লেনদেনের ডিজিটাল রেকর্ড ক্লাবের ডেটাবেজে সংরক্ষিত থাকবে।
মূল দর্শন:
“যে সংগঠনে হিসাব খোলা থাকে, সেখানে আস্থা নিজে থেকেই জন্মায়।”
সুবাস: ২০/৩০/৫০ টাকা (বয়সভিত্তিক)
জমার সময়: প্রতি মাসের ১–১৫ তারিখ
সংগ্রহকারী: ইউনিট কোষাধ্যক্ষ
রসিদ: বাধ্যতামূলক
রিপোর্টিং: মাসিক ইউনিট রিপোর্ট → কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ
অডিট: ৬ মাস অন্তর অভ্যন্তরীণ, বছরে একবার পূর্ণাঙ্গ
স্বচ্ছতা: অনলাইন/অফলাইন রেকর্ড ও রিপোর্ট প্রকাশ
মূল দর্শন:
“প্রতিটি টাকার পেছনে একটি বিশ্বাস,আর প্রতিটি বিশ্বাসের পেছনে থাকে স্বচ্ছতা।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এর মূল ভিত্তি হলো শিক্ষার্থী। তাদের বয়স, মানসিক পরিপক্বতা ও শিক্ষার স্তরের ভিত্তিতে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা হয়েছে, যাতে প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার বয়স অনুযায়ী শেখার সুযোগ, দায়িত্ব ও নেতৃত্বের অভিজ্ঞতা পায়। এই তিনটি শাখা একসাথে গড়ে তোলে এক নৈতিক, নেতৃত্বমুখী ও দায়িত্বশীল প্রজন্ম —
যার দর্শন একটাই:
“ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ।”
বয়সসীমা: ৫–১০ বছর
পর্যায়: প্রাথমিক বিদ্যালয়
শিশুদের মধ্যে নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, আদব–আখলাক ও শেখার আগ্রহ জাগিয়ে তোলা।
নৈতিক গল্প আসর (“গল্পে শেখা নীতি”)
নামাজ ও ইসলামিক আচরণ শিক্ষা
চিত্রাঙ্কন, কবিতা ও কুইজ প্রতিযোগিতা
“Good Decision Story Time”
পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা ও শৃঙ্খলা শিক্ষা
নিয়মিত ক্লাস ও সভায় অংশগ্রহণ করা
শিক্ষক ও সিনিয়রদের সম্মান করা
বন্ধুদের সঙ্গে সহযোগিতাপূর্ণ আচরণ করা
পরিবেশ পরিষ্কার রাখা
প্রতিদিন একটি “ভালো কাজ” করার অভ্যাস গড়া
দর্শন:
“শিশুদের শেখাও ছোট সিদ্ধান্তের মূল্য, কারণ সেখানেই বড় ভবিষ্যতের বীজ।”
বয়সসীমা: ১১–১৪ বছর
পর্যায়: মাধ্যমিক বিদ্যালয়
কিশোর বয়সের শিক্ষার্থীদের দায়িত্ববোধ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও নৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রশিক্ষণ দেওয়া।
“Good Decision Session” — নৈতিক আলোচনা ও বিতর্ক
শিক্ষাগত সহায়তা ক্লাস (Study Support Group)
সমাজসেবা কার্যক্রম (Planting, Clean-up)
সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা
“One Week – One Decision” প্রোগ্রাম (সপ্তাহে একটি ভালো সিদ্ধান্তের অভ্যাস)
ক্লাবের নিয়ম মেনে চলা ও জুনিয়রদের সাহায্য করা
সমাজে ভালো কাজের উদাহরণ স্থাপন করা
ক্লাস প্রতিনিধি বা সহ-নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা
বৃত্তি বা স্কলারশিপ প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া
দর্শন:
“কৈশোরে শেখো কীভাবে চিন্তা করতে হয়,
কারণ ভালো চিন্তাই তৈরি করে ভালো সিদ্ধান্ত।”
মরিয়ম ইয়ুথ ক্লাব (Marium Youth Club)
বয়সসীমা: ১৫–১৮ বছর
পর্যায়: কলেজ পর্যায়
তরুণদের মধ্যে নেতৃত্ব, সামাজিক দায়িত্ব ও মানবিক চেতনা গড়ে তোলা, যাতে তারা “Good Decision Generation”–এর নেতৃত্ব দিতে পারে।
“Leadership Camp” ও “Young Trainer Program”
বৃত্তি ও শিক্ষা সহায়তা প্রোগ্রাম পরিচালনা
সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম (Drug Awareness, Blood Donation)
অনলাইন প্রচারণা ও কনটেন্ট তৈরিতে অংশগ্রহণ
জুনিয়র ও মিডল ক্লাবের ট্রেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন
নিজেকে ক্লাবের প্রতিনিধি ও অনুকরণীয় সদস্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা
ক্লাব কার্যক্রম সংগঠিত করা ও ইউনিটে নেতৃত্ব দেওয়া
নতুন সদস্য সংগ্রহ ও প্রশিক্ষণে সহায়তা করা
কেন্দ্রীয় ইভেন্ট বা জাতীয় সম্মেলনে অংশ নেওয়া
দর্শন:
“নেতৃত্ব মানে অন্যদের আদেশ দেওয়া নয় —বরং নিজের সিদ্ধান্ত দিয়ে অন্যদের অনুপ্রাণিত করা।”
১️. নিয়মিত সভা ও ক্লাসে অংশ নিতে হবে।
২️. শিক্ষকদের, সিনিয়র ও সহপাঠীদের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে হবে।
৩️. কোনো রকম অসদাচরণ, অশালীন ভাষা বা হিংসাত্মক আচরণ করা যাবে না।
৪️. ক্লাবের পোশাক বা আইডি কার্ড ছাড়া কার্যক্রমে অংশ নেওয়া যাবে না।
৫️. সামাজিক মাধ্যমে ক্লাবের সম্মান রক্ষা করতে হবে।
৬️. অনুপস্থিত থাকলে পূর্বে কারণ জানাতে হবে।
৭️. নিয়ম ভাঙলে সতর্কবার্তা বা সাময়িক স্থগিতাদেশ হতে পারে।
মূল নীতি:
“শৃঙ্খলা মানে বাধা নয়,
বরং নিজেকে গঠনের প্রক্রিয়া।”
প্রতিটি শাখায় নিচের নেতৃত্ব ব্যবস্থা থাকবে —
শাখা সভাপতি: কার্যক্রম পরিচালনা ও সভা তদারকি
সহ-সভাপতি: সভাপতি অনুপস্থিত থাকলে দায়িত্ব পালন
শিক্ষা প্রতিনিধি: শিক্ষা ও নৈতিক কার্যক্রম দেখভাল
সমাজসেবা প্রতিনিধি: সমাজসেবা ও স্বাস্থ্য কার্যক্রম সমন্বয়
কোষাধ্যক্ষ: সুবাস ও ফান্ড পরিচালনা
সাধারণ সদস্য: সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা
দর্শন:
“নেতৃত্ব আসে দায়িত্ব থেকে,
দায়িত্ব আসে বিশ্বাস থেকে।”
প্রতি তিন মাসে একবার সদস্য মূল্যায়ন (উপস্থিতি, আচরণ, নেতৃত্ব, অংশগ্রহণ)
শ্রেষ্ঠ জুনিয়র, মিডল ও ইয়ুথ সদস্য পুরস্কার
“Good Decision Star” সার্টিফিকেট ও ব্যাজ প্রদান
দায়িত্বশীল সদস্যদের “Student Leader” স্বীকৃতি
নীতিমালা:
“পুরস্কার শুধু সম্মান নয়,
এটি অনুপ্রেরণার বীজ।”
২৩. মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি লি. – ভূমিকা, দায়িত্ব ও সহযোগিতা কাঠামো
প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য ও দর্শন (Purpose & Philosophy):
মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি লি. একটি নিবন্ধিত সমাজকল্যাণভিত্তিক প্রতিষ্ঠান, যার উদ্দেশ্য হলো সদস্যদের আর্থিক, শিক্ষাগত, সামাজিক ও মানবিক উন্নয়ন সাধন করা।এই সমিতি বিশ্বাস করে —
“সমষ্টিগত প্রচেষ্টা ও সৎ ব্যবস্থাপনা একত্রে সমাজে স্থায়ী পরিবর্তন আনতে পারে।”
দর্শন:
“Good Decision Never Loss” — ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না।
মরিয়ম সমিতি শুধু ঋণদান নয়, বরং বহুমুখী সমাজউন্নয়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়নমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর আওতায় নিম্নলিখিত কার্যক্রমগুলো অন্তর্ভুক্ত:
সদস্যদের মাসিক সঞ্চয় সংগ্রহ ও নিরাপদ ব্যবস্থাপনা।
বিনিয়োগের মাধ্যমে সদস্যদের ক্ষুদ্র ব্যবসা উন্নয়ন।
লাভের অংশ শরীয়াহভিত্তিক মুনাফা হিসেবে সদস্যদের মাঝে বণ্টন।
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব পরিচালনায় আর্থিক সহায়তা ও তদারকি।
শিক্ষা বৃত্তি, টিউশন সহায়তা ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন।
নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য “Skill Development Program।”
বিনামূল্যে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা ক্যাম্প আয়োজন।
রক্তদান, বৃক্ষরোপণ, অনাথ সহায়তা ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান।
“Marium Old Age Home” প্রকল্পে সহায়তা প্রদান।
দরিদ্র, অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তা।
জরুরি পরিস্থিতিতে ত্রাণ ও সহায়তা প্রদান।
বিশেষ প্রকল্পে (যেমন মরিয়ম ফান্ড, Easy Fund, Scholarship Fund) অর্থায়ন।
মরিয়ম সমিতি Marium Students Club–এর তত্ত্বাবধায়ক ও আর্থিক পৃষ্ঠপোষক প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
১️. ক্লাব ও সামাজিক প্রকল্পগুলোর নীতি, নিয়ম ও আর্থিক কাঠামো অনুমোদন।
২️. ক্লাবের বার্ষিক বাজেট ও কার্যক্রম পরিকল্পনা পর্যালোচনা।
৩️.অডিট, ফান্ড রিপোর্ট ও অনুদান বণ্টনে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।
৪️. সদস্য, অভিভাবক ও ক্লাবের মধ্যে সমন্বয় তৈরি করা।
৫️. নতুন ইউনিট বা প্রকল্প অনুমোদন ও তদারকি করা।
দর্শন:
“পরিচালনা মানে শুধু তদারকি নয় —
বরং সঠিক সিদ্ধান্তের পথে সহযোগিতা।”
মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি Marium Students Club, Marium Scholarship Foundation ও অন্যান্য সামাজিক ইউনিটগুলোর সাথে সহযোগিতা ও সমন্বয় করবে নিম্নলিখিতভাবে:
বৃত্তি ও শিক্ষা সামগ্রী ক্রয়ে আর্থিক সহযোগিতা।
“Good Decision Camp” ও নেতৃত্ব প্রশিক্ষণে ফান্ডিং।
শিক্ষার্থীদের ফ্রি মেডিকেল চেকআপ প্রোগ্রাম আয়োজন।
প্রাথমিক চিকিৎসা সামগ্রী ও স্বাস্থ্য শিক্ষা প্রদান।
বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা ও দান কার্যক্রমে অর্থ ও জনবল সহায়তা।
“One Student One Good Work” প্রোগ্রাম বাস্তবায়নে তহবিল সহযোগিতা।
ক্লাবের ফান্ডে নিয়মিত অনুদান প্রদান।
বিশেষ প্রয়োজনে জরুরি সহায়তা ফান্ড তৈরি।
বার্ষিক বাজেট অনুমোদন ও ব্যয় পর্যালোচনা।
১️. সদস্যদের সঞ্চয় ও অবদান
২️. ক্লাবের আয়, ফি ও বাহিরের অনুদান
৩️. দাতা সদস্য, শুভাকাঙ্ক্ষী ও কর্পোরেট পার্টনারদের দান
প্রতিটি অনুদান “Marium Fund Account”-এ সংরক্ষণ করা হবে।
ফান্ডের ব্যবহার নির্ধারণ করবে কেন্দ্রীয় কমিটি ও সমিতি পরিষদ।
বছরে একবার পূর্ণাঙ্গ অডিট ও রিপোর্ট প্রকাশ করা হবে।
নীতিমালা:
“প্রতিটি দান যেন দায়িত্বের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়,
কারণ প্রতিটি টাকার পেছনে থাকে একজন মানুষের বিশ্বাস।”
সভাপতি: সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক
সাধারণ সম্পাদক: প্রশাসনিক দায়িত্ব
কোষাধ্যক্ষ: অর্থ ও অডিট তদারকি
কার্যনির্বাহী কমিটি: পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন
অফিস সেক্রেটারিয়েট: দৈনন্দিন প্রশাসনিক কাজ
মাসিক সভা: ইউনিট ও ক্লাব কার্যক্রম পর্যালোচনা
ত্রৈমাসিক রিপোর্ট: ক্লাব ও সমিতির ফান্ড রিপোর্ট উপস্থাপন
বার্ষিক সভা: অডিট রিপোর্ট, পুরস্কার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুমোদন
দর্শন:
“ভালো পরিচালনা মানেই ভালো ফলাফল —
যেখানে সিদ্ধান্ত হয় সততা ও জবাবদিহিতার ভিত্তিতে।”
১️. শিক্ষার্থী ও সমাজে নৈতিকতা, শিক্ষা ও মানবিক চেতনা বৃদ্ধি।
২️. অসহায় পরিবারগুলোর আর্থিক সহায়তা ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধি।
৩️. সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও দায়িত্ববোধের সংস্কৃতি সৃষ্টি।
৪️. স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান ও ছোট উদ্যোগের বিকাশ।
৫️. মরিয়ম সমিতির ভাবমূর্তি ও সামাজিক প্রভাব বৃদ্ধি।
মূল বিশ্বাস:
“যেখানে সহযোগিতা থাকে, সেখানেই সৃষ্টি হয় পরিবর্তন।”
প্রধান কাজ: সঞ্চয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা, অনুদান
দায়িত্ব: ক্লাব তদারকি, বাজেট অনুমোদন, অডিট রিপোর্ট
সহযোগিতা: শিক্ষা বৃত্তি, স্বাস্থ্য ক্যাম্প, সমাজসেবা
অনুদান: সদস্য অবদান, দাতা, সমবায় তহবিল
পরিচালনা: মাসিক সভা, ত্রৈমাসিক রিপোর্ট, বার্ষিক অডিট
মূল দর্শন:
“সমবায় শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি নৈতিক ঐক্যের নাম —
যেখানে সবাই মিলে নেয় একটি ভালো সিদ্ধান্ত,
আর সেই সিদ্ধান্তই একদিন সমাজকে বদলে দেয়।”
— Marium Kormojibi Somobay Somiti Ltd.
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” বিশ্বাস করে —শিক্ষা শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; চরিত্র, সৃজনশীলতা, চিন্তা, উপস্থাপন দক্ষতা ও আত্মবিশ্বাসই হলো প্রকৃত শিক্ষা। এই উদ্দেশ্যে প্রতি বছর ক্লাবের বিভিন্ন ইউনিট ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ধরণের শিক্ষা, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক ও নৈতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
১. জানুয়ারি – সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা
উদ্দেশ্য: পরিচ্ছন্নতা, মনোযোগ ও ধৈর্যশীলতা বৃদ্ধি করা।
২. ফেব্রুয়ারি – নৈতিক গল্প ও কবিতা আবৃত্তি অনুষ্ঠান
উদ্দেশ্য: ভাষা চর্চা, ভাব প্রকাশ ও নৈতিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা।
৩. এপ্রিল – বিতর্ক উৎসব
উদ্দেশ্য: যুক্তি, চিন্তা, বিশ্লেষণ ও আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করা।
৪. জুন – কুইজ প্রতিযোগিতা
উদ্দেশ্য: সাধারণ জ্ঞান, ইতিহাস ও স্মৃতিশক্তি বিকাশ।
৫. আগস্ট – একক পরিবেশনা ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
উদ্দেশ্য: আত্মপ্রকাশ, সৃজনশীলতা ও প্রতিভা বিকাশের সুযোগ দেওয়া।
৬. অক্টোবর – “Good Decision Contest”
উদ্দেশ্য: জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের অনুশীলন ও সচেতনতা বৃদ্ধি।
৭. ডিসেম্বর – বার্ষিক পুরস্কার ও উৎসব
উদ্দেশ্য: সারা বছরের সাফল্য উদযাপন, শ্রেষ্ঠ সদস্য ও অভিভাবকদের সম্মাননা প্রদান।
শিক্ষার্থীদের লেখার মান, মনোযোগ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধি করা।
আয়োজক: ইউনিট শিক্ষা দায়িত্বশীল
সময়: জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহ
অংশগ্রহণ: সব বয়সের সদস্য (জুনিয়র–ইয়ুথ)
বিষয়: নৈতিক উক্তি বা “Good Decision”–এর উক্তি থেকে নির্বাচন
মূল্যায়ন: পরিচ্ছন্নতা, গঠন, বানান ও উপস্থাপন
পুরস্কার:
প্রথম ৩ জনকে সার্টিফিকেট ও “Beautiful Mind Award” প্রদান।
তরুণদের চিন্তাশক্তি, যুক্তি উপস্থাপন, শ্রবণ ও সহনশীলতা গড়ে তোলা।
সময়: এপ্রিল মাস (ইউনিট বা জোনাল পর্যায়ে)
বিষয়: শিক্ষা, সমাজ, নৈতিকতা, “Good Decision” দর্শন সম্পর্কিত
ধরন: দলীয় বিতর্ক ও একক বক্তব্য
বিচারক: শিক্ষক, সমাজসেবক ও ক্লাবের সিনিয়র সদস্য
মূল নিয়ম:
অন্যের মতের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে হবে।
শালীন ভাষা ও যুক্তিপূর্ণ বক্তব্য দিতে হবে।
সময়সীমা: প্রতি বক্তার জন্য ৩ মিনিট।
পুরস্কার:
“Best Debater” সার্টিফিকেট ও ব্যাজ প্রদান।
কুইজ প্রতিযোগিতা (Moral & General Knowledge Quiz):
শিক্ষার্থীদের জ্ঞান, স্মৃতিশক্তি ও সাধারণ বুদ্ধিমত্তা উন্নয়ন করা।
সময়: জুন মাস
বিষয়: ইসলাম, নৈতিকতা, বিজ্ঞান, ইতিহাস ও বাংলাদেশ বিষয়ক
ধরন: লিখিত ও মৌখিক রাউন্ড
পরিচালনা: শিক্ষা কমিটি ও ইয়ুথ শাখা সদস্যরা
নিয়ম:
দলভিত্তিক ও একক — দুই ক্যাটাগরিতে হবে
প্রতিটি সঠিক উত্তরে ৫ পয়েন্ট
সর্বাধিক পয়েন্ট পাওয়া সদস্য “Knowledge Star” উপাধি পাবে
শিক্ষার্থীদের প্রতিভা, আবেগ প্রকাশ ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা।
সময়: আগস্ট মাস
বিষয়: দেশপ্রেম, নৈতিকতা, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা, মানবতা ইত্যাদি
পরিবেশনা: কবিতা, গল্প বলা, গান, আবৃত্তি বা বক্তৃতা
অংশগ্রহণ: সব বয়সের সদস্য
মূল শর্ত:
গানের কথা বা কবিতা শালীন ও শিক্ষণীয় হতে হবে।
সময়সীমা ৩–৫ মিনিট।
পুরস্কার:
“Best Performer” পুরস্কার ও পরবর্তী Leadership Camp–এ বিশেষ সুযোগ।
শিক্ষার্থীরা কিভাবে বাস্তব জীবনে ভালো সিদ্ধান্ত নিতে পারে তা শেখানো ও প্রদর্শন করা।
সময়: অক্টোবর মাস
প্রতিটি ইউনিট সদস্যরা বাস্তব জীবনের একটি সিদ্ধান্তের গল্প লিখবে।
নির্বাচিত গল্পগুলো উপস্থাপন করা হবে বার্ষিক উৎসবে।
বিচারকরা নির্ধারণ করবেন “Most Inspiring Decision” পুরস্কার।
পুরস্কার:
“Good Decision Medal” ও মরিয়ম বৃত্তি প্রোগ্রামে অগ্রাধিকার।
পুরো বছরের কার্যক্রমের সারসংক্ষেপ, পুরস্কার প্রদান ও সম্মাননা অনুষ্ঠান।
সময়: ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ
স্থান: কেন্দ্রীয় বা জোনাল হলে
অতিথি: উপদেষ্টা পরিষদ, অভিভাবক, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা
মূল আকর্ষণ:
সেরা ইউনিট ঘোষণা
সেরা শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবক পুরস্কার
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা
“Good Decision Award” প্রদান
মূল দর্শন:
“পুরস্কার শুধু স্বীকৃতি নয় — এটি নতুন অনুপ্রেরণার সূচনা।”
১️. প্রতিটি ইউনিটে থাকবে একটি “Program Committee”।
২️. সব অনুষ্ঠান আগে থেকে কেন্দ্রীয় অফিসে জানাতে হবে।
৩️. ব্যয় ও বাজেট কেন্দ্রীয় অনুমোদনক্রমে নির্ধারিত হবে।
৪️. অতিথি, বিচারক ও অংশগ্রহণকারীদের প্রতি সম্মান বজায় রাখতে হবে।
৫️. অনুষ্ঠান শেষে রিপোর্ট ও ছবি কেন্দ্রীয় ক্লাব পেজে জমা দিতে হবে।
৬️. প্রতিযোগিতার সার্টিফিকেট ও ব্যাজ ক্লাবের অফিস থেকে প্রদান করা হবে।
মূলনীতি:
“অনুষ্ঠান মানে শুধু আয়োজন নয়, বরং একটি বার্তা — শেখার, বেড়ে ওঠার, অনুপ্রাণিত হওয়ার।”
সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা: জানুয়ারি — মনোযোগ ও শৃঙ্খলা
বিতর্ক উৎসব: এপ্রিল — চিন্তা ও যুক্তি বিকাশ
কুইজ প্রতিযোগিতা: জুন — জ্ঞান ও মেধা বিকাশ
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: আগস্ট — প্রতিভা প্রকাশ
Good Decision Contest: অক্টোবর — নৈতিক সিদ্ধান্ত শিক্ষা
বার্ষিক উৎসব: ডিসেম্বর — সম্মাননা ও উদযাপন
মূল দর্শন:
“শিক্ষা শুধু বই নয় —
এটি চিন্তা, নৈতিকতা ও আনন্দের এক সুন্দর সমন্বয়।”
Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব”-এর শক্তি শুধু সদস্যদের মধ্যে নয় —বরং সেই সব মানুষদের মাঝেও, যারা হৃদয়ের টান থেকে সেবা দিতে চায়, বিনিময়ে কিছু না নিয়েও সমাজে কিছু ভালো রেখে যেতে চায়। এই উদ্দেশ্যেই গঠন করা হয়েছে
“Marium Volunteer Circle” এটি হলো এমন একটি টিম যেখানে বাহিরের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, সমাজসেবক বা শুভাকাঙ্ক্ষীরা বিনা পারিশ্রমিকে (Free of Cost) ক্লাবের বিভিন্ন শিক্ষা, সমাজসেবা, স্বাস্থ্য ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে পারবে।
মূল দর্শন:
“যে সেবা বিনা স্বার্থে হয়, সেটাই সবচেয়ে বড় মানবিক অবদান।”
১️.আগ্রহী ব্যক্তি অনলাইন/অফলাইন ফর্ম পূরণ করবে।
২️.বয়স হতে হবে অন্তত ১৬ বছর বা তার বেশি।
৩️. মৌলিক নৈতিক ও সামাজিক যোগ্যতা থাকা আবশ্যক।
৪️. আবেদন যাচাই শেষে কেন্দ্রীয় অনুমোদনে “Volunteer ID” প্রদান করা হবে।
৫️. সদস্যরা “Marium Volunteer Oath” গ্রহণ করবে:
“আমি মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখব, কোনো পারিশ্রমিক নয়, বরং তৃপ্তিই হবে আমার পুরস্কার।”
১️. ক্লাবের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজসেবা প্রোগ্রামে সহযোগিতা করা।
২️. শিশু ও শিক্ষার্থীদের পরিচালনা, নির্দেশনা ও সহায়তা দেওয়া।
৩️. অনুষ্ঠান আয়োজন, ফান্ড সংগ্রহ, রেজিস্ট্রেশন ও রিপোর্টিংয়ে সহায়তা করা।
৪️. স্থানীয় ইউনিটের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করা।
৫️. সমাজে “Good Decision Never Loss” দর্শন প্রচার করা।
৬️. ক্লাবের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও আচরণবিধি মেনে চলা।
মূল নীতি:
“সেবা মানে আদেশ নয়, বরং নিজের দায়িত্ব অনুভব করা।”
Volunteer Head: কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল, সমন্বয়কারী
Assistant Head: জেলা/ওয়ার্ডভিত্তিক সমন্বয়
Volunteer Members: নিবন্ধিত সহযোগী সদস্য
প্রত্যেক স্বেচ্ছাসেবকের মেয়াদ হবে ১ বছর
নবায়নের জন্য বার্ষিক মূল্যায়ন রিপোর্ট জমা দিতে হবে
পাঠচক্র, টিউশন ও “Moral Class” পরিচালনায় সহায়তা
বৃত্তি প্রোগ্রামের আবেদন যাচাই ও পরীক্ষায় সহযোগিতা
শিশুদের শেখার পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখা
ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পে রেজিস্ট্রেশন, সার্ভে ও সহায়তা
বৃক্ষরোপণ, পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও পরিবেশ সচেতনতা
অনাথ, দরিদ্র ও পথশিশুদের সহায়তা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ
বিতর্ক, কুইজ, গল্প আসর ও Good Decision Camp পরিচালনা
মিডল ও ইয়ুথ সদস্যদের প্রশিক্ষণে সহায়তা
সামাজিক মিডিয়া প্রচারণায় সহযোগিতা
সদস্যদের সুবাস রিপোর্ট ও ইউনিট রেকর্ড মেইনটেইন
শুভাকাঙ্ক্ষীদের অনুদান সংগ্রহ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা
মূল দর্শন:
“স্বেচ্ছাসেবক মানে শুধু কাজ নয়, এটি সমাজে আলোর পথচলা।”
১️. কোনো আর্থিক সুবিধা বা পারিশ্রমিক নেওয়া যাবে না।
২️. সকল কার্যক্রমে ক্লাবের পোশাক ও আইডি কার্ড ব্যবহার বাধ্যতামূলক।
৩️. ক্লাবের নীতিমালা, আচরণ ও শৃঙ্খলা মানতে হবে।
৪️. ধর্ম, রাজনীতি ও বিভাজনমূলক বিষয় থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫️. প্রত্যেক Volunteer–কে ত্রৈমাসিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
নীতিমালা:
“স্বেচ্ছাসেবকরা সংগঠনের মুখ নয়, তারা সংগঠনের আত্মা।”
১️.বার্ষিক সম্মাননা:
“Best Volunteer Award”
“Humanity Medal”
“Marium Honor Badge”
২️. প্রশংসাপত্র (Certificate of Contribution):
প্রত্যেক Volunteer তার বছরের অবদান অনুযায়ী সার্টিফিকেট পাবে।
৩️. অভ্যন্তরীণ আনন্দ:
শিশুদের মুখে হাসি ফোটানো, অসহায়দের সহায়তা করা,ক্লান্তিহীন কাজের পর হৃদয়ের প্রশান্তি পাওয়া —এটাই তাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
দর্শন:
“যে আনন্দ দান থেকে আসে, তা কোনো বেতনে মাপা যায় না।”
১️. মানবিক ও নৈতিকভাবে সচেতন একদল তরুণ তৈরি করা।
২️. সমাজের প্রতিটি স্তরে সেবা ও সহযোগিতার চেতনা ছড়িয়ে দেওয়া।
৩️. “Marium Students Club”–এর কার্যক্রমে বাস্তব সহায়তা ও দিকনির্দেশনা প্রদান।
৪️. বাংলাদেশে এক নৈতিক স্বেচ্ছাসেবী নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠা।
মূল বিশ্বাস:
“একজন স্বেচ্ছাসেবকের দেওয়া সময় কখনও বৃথা যায় না — কারণ সে সময়েই লুকিয়ে থাকে সমাজ পরিবর্তনের শুরু।”
নাম: Marium Volunteer Circle
ধরন: বাহিরের স্বেচ্ছাসেবক দল
প্রকৃতি: বিনা পারিশ্রমিকে সমাজসেবা
মেয়াদ: ১ বছর (নবায়নযোগ্য)
মূল কাজ: শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা, নেতৃত্ব সহায়তা
দর্শন: Good Decision Never Loss
পুরস্কার: সম্মাননা, সার্টিফিকেট ও মানবিক আনন্দ
মূল দর্শন:
“যেখানে মানুষ সেবা করে, সেখানেই সমাজে আলো জন্মায়।”
— Marium Students Club Volunteer Circle
নাম:
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব — একটি নৈতিক, শিক্ষামুখী ও সমাজসেবামূলক ছাত্র–ছাত্রী সংগঠন, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তরুণ প্রজন্মকে সুশিক্ষিত, চরিত্রবান ও দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে।
ট্যাগলাইন:
“ভালো সিদ্ধান্ত, সুন্দর ভবিষ্যৎ” —এই ট্যাগলাইন শুধু একটি বাক্য নয়, বরং ক্লাবের জীবনদর্শন। এর অর্থ, একজন মানুষ যখন নৈতিকভাবে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তার ভবিষ্যৎ নিজে থেকেই সুন্দর হয়ে ওঠে।
লক্ষ্যগোষ্ঠী:
৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র–ছাত্রী —যারা স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজে অধ্যয়নরত এবং নিজেদের শিক্ষা, চরিত্র, নেতৃত্ব ও সমাজসেবায় এগিয়ে যেতে চায়।
মূল কাজ:
মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব চারটি মূল স্তম্ভের উপর ভিত্তি করে কাজ করে —
১️. শিক্ষা উন্নয়ন — পাঠচক্র, টিউটরিং ও বৃত্তি প্রোগ্রামের মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা।
২️. চরিত্র গঠন — নৈতিক শিক্ষা, ইসলামিক ও মানবিক মূল্যবোধ চর্চা।
৩️. নেতৃত্ব বিকাশ — Leadership Camp, Decision Workshop ও Young Trainer Program।
৪️. সমাজসেবা — স্বাস্থ্য সচেতনতা, বৃক্ষরোপণ, অনাথ সহায়তা ও মানবিক কার্যক্রম।
সুবাস:
মাসিক সদস্য সুবাস বয়স অনুযায়ী তিন ধাপে নির্ধারিত —
জুনিয়র শাখা: ২০ টাকা,
টিন শাখা: ৩০ টাকা,
ইয়ুথ শাখা: ৫০ টাকা।
এই সুবাসই ক্লাবের মূল আর্থিক শক্তি, যা ব্যয় হয় শিক্ষা ও সমাজসেবায়।
তত্ত্বাবধায়ক প্রতিষ্ঠান:
মরিয়ম কর্মজীবী সমবায় সমিতি লিমিটেড — যারা পুরো সংগঠনের প্রশাসনিক তত্ত্বাবধান, আর্থিক স্বচ্ছতা ও বার্ষিক অডিট নিশ্চিত করবে। এই সমবায়ই হলো ক্লাবের মূল সহায়ক ও দিকনির্দেশনাকারী প্রতিষ্ঠান।
ভবিষ্যৎ লক্ষ্য:
আগামী দুই বছরে ১,০০০ সদস্য সংযুক্ত করা।
দেশব্যাপী ৫০টির বেশি ইউনিট ক্লাব গঠন।
জাতীয় পর্যায়ে “Good Decision Leadership Summit” আয়োজন।
“Marium Scholarship Foundation” চালু করে বৃত্তি প্রোগ্রামকে স্থায়ী রূপ দেওয়া।
দীর্ঘমেয়াদে “Good Decision Generation” তৈরি করে বাংলাদেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে নৈতিক শিক্ষার আলো পৌঁছে দেওয়া।
সারমর্ম:
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” হলো একদল সচেতন, শিক্ষাপ্রেমী ও নৈতিক তরুণের মিলনমেলা — যারা বিশ্বাস করে, ভালো সিদ্ধান্ত হারায় না, বরং নতুন ভবিষ্যৎ গড়ে তোলে।
মূল দর্শন:
“একটি ভালো সিদ্ধান্ত পারে একজন মানুষকে বদলে দিতে, আর একদল ভালো মানুষ পারে একটি দেশকে আলোকিত করতে।”
— Marium Students Club
“মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” কোনো সাধারণ সংগঠন নয় —এটি একটি চিন্তার নাম, একটি দর্শনের নাম, একটি পরিবর্তনের সূচনা। এখানে একত্র হয়েছে ৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী একদল শিশু, কিশোর ও তরুণ, যাদের হাতে আমরা দেখতে পাই আমাদের আগামী বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। এই ক্লাবের প্রতিটি কার্যক্রম, প্রতিটি প্রশিক্ষণ, প্রতিটি বৃত্তি — সবকিছুই নির্মিত হয়েছে এক দর্শনের ভিত্তিতে:
“Good Decision Never Loss — ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না।”
এই দর্শনই আমাদের শেখায় —সত্যের পথে থাকলে, নৈতিকভাবে সিদ্ধান্ত নিলে, হারলেও আমরা কিছু না কিছু শিখি, আর শেখাটাই একদিন আমাদের সফলতার সোপান হয়ে ওঠে।
একটি প্রজন্ম তৈরি করা — যারা হবে চিন্তায় আলোকিত, আচরণে আদর্শ, এবং নেতৃত্বে দায়িত্ববান। যারা সমাজের প্রতি দায়িত্বশীল হবে, নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন হবে, এবং দেশের প্রতিটি কোণে “ভালো সিদ্ধান্ত”-এর আলো ছড়িয়ে দেবে।
আমরা শিক্ষা, চরিত্র, নেতৃত্ব ও সমাজসেবাকে একত্র করে একটি মানবিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছি —যেখানে একজন শিক্ষার্থী শুধু বই পড়ে বড় হয় না, বরং নিজের ভেতরের মানুষটাকেও গড়ে তোলে।
আমাদের দর্শন:
আমরা বিশ্বাস করি — শিক্ষা শুধু জ্ঞান দেয় না, এটি মানুষকে নৈতিক করে তোলে, সিদ্ধান্ত নিতে শেখায়, আর সেই ভালো সিদ্ধান্তই একদিন তার জীবন, পরিবার ও সমাজকে বদলে দেয়। “মরিয়ম স্টুডেন্টস ক্লাব” সেই ভালো সিদ্ধান্তেরই প্রতীক — যেখানে শেখা মানে শুধু পরীক্ষায় পাশ করা নয়, বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আলোকিত হওয়া।
আমরা চাই, বাংলাদেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে, প্রতিটি স্কুলে, প্রতিটি পরিবারে একটি করে নৈতিক আলোর প্রদীপ জ্বলে উঠুক —যেখানে শিশুরা ছোটবেলা থেকেই বুঝবে, ভালো চিন্তা, ভালো চরিত্র ও ভালো সিদ্ধান্ত–ই জীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ। আগামী দিনের বাংলাদেশে থাকবে হাজারো “Marium Student”, যারা নেতৃত্ব দেবে, সেবা করবে, অনুপ্রেরণা দেবে —এবং প্রমাণ করবে, সত্যিই “ভালো সিদ্ধান্ত কখনও হারায় না।”
“আমরা বিশ্বাস করি — প্রতিটি শিশুর ভেতরে একটি আলো আছে,শুধু তাকে সঠিক পথে পরিচালিত করলেই সে পুরো সমাজ আলোকিত করতে পারে। তাই আমরা কাজ করছি সেই আলোকিত প্রজন্ম গড়ে তুলতে — যারা শিক্ষা, চরিত্র ও নেতৃত্বের মাধ্যমে গড়ে তুলবে এক সুন্দর বাংলাদেশ।”
শহীদুল ইসলাম (Sohidul Islam)
Founder & Chairman, Marium Group
Founder, Marium Students Club
দর্শন: Good Decision Never Loss
“আমরা এক প্রজন্ম তৈরি করছি,যারা শিখবে ভাবতে, সিদ্ধান্ত নিতে,এবং নিজের আলোক দিয়ে অন্যদের পথ দেখাতে।”
— Marium Students Club